২৮/৩. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৫৫৫২-[৪] - জাহান্নাম থেকে মুক্তির ঘোষণা
হিসাব-নিকাশ, প্রতিশোধ গ্রহণ ও মিজানের বর্ণনা - প্রথম অনুচ্ছেদ
কিয়ামতে মুসলিমের জাহান্নাম থেকে মুক্তির বর্ণনা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৫৫৫২-[৪]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৫৫৫২-[৪]
وَعَنْ أَبِي مُوسَى قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِذَا كَانَ يَوْمُ الْقِيَامَةِ دَفَعَ اللَّهُ إِلَى كُلِّ مُسْلِمٍ يَهُودِيًّا أَوْ نَصْرَانِيًّا فَيَقُولُ: هَذَا فِكَاكُكَ مِنَ النَّارِ رَوَاهُ مُسلم رواہ مسلم (49 / 2767)، (7011) ۔ (صَحِيح)
আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : যখন কিয়ামতের দিন আসবে, তখন আল্লাহ তা'আলা প্রত্যেক মুসলিমকে এক একটি করে ইয়াহুদী অথবা নাসারা প্রদান করবেন, অতঃপর বলবেন, এটা জাহান্নাম থেকে তোমার মুক্তির বিনিময়।
সহীহ মুসলিম ৪৯-(২৭৬৭), শুআবূল ঈমান ৩৭৮, আল মু'জামুল আওসাত্ব ৯৭৪।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৫৫৫২-[৪]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা'আলা প্রত্যেক মুসলিমকে একজন ইয়াহুদী অথবা নাসারা প্রদান করবেন এবং বলবেন, এটি জাহান্নাম থেকে তোমার মুক্তির বিনিময়। হাদিসটি আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ ও মুক্তির কথা জানায়। তবে এ ধরনের আখিরাতের বিষয় আমরা নিজের যুক্তি দিয়ে পুরোপুরি মাপতে পারি না; হাদিসে যেভাবে এসেছে সেভাবেই গ্রহণ করতে হয়। এখানে মূল শিক্ষা হলো, জাহান্নাম থেকে মুক্তি মানুষের নিজের ক্ষমতার বিষয় নয়, বরং আল্লাহর বিচার, দয়া ও ফয়সালার বিষয়। তাই মুসলিমের উচিত ঈমান, তওবা, নেক আমল এবং আল্লাহর রহমতের আশা নিয়ে জীবন কাটানো।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জাহান্নাম থেকে মুক্তি আল্লাহর দয়া ও ফয়সালার সাথে যুক্ত।
- আখিরাতের খবর হাদিসে যেভাবে এসেছে সেভাবেই বিশ্বাস করা উচিত।
- মুসলিমের জীবনে ঈমান ও নেক আমলকে গুরুত্ব দিতে হয়।
- আল্লাহর রহমতের আশা থাকলেও গুনাহ থেকে সতর্ক থাকা দরকার।
