২৮/৫. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৫৬২৮-[১৭] - জান্নাতের নহরসমূহ
জান্নাত ও জান্নাতবাসীদের বিবরণ - প্রথম অনুচ্ছেদ
সায়হান, জায়হান, ফুরাত ও নীল: জান্নাতের নহর
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৫৬২৮-[১৭]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৫৬২৮-[১৭]
وَعَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «سَيْحَانُ وَجَيْحَانُ وَالْفُرَاتُ وَالنِّيلُ كُلٌّ من أنهارِ الْجنَّة». رَوَاهُ مُسلم رواہ مسلم (26 / 2839)، (7161) ۔ (صَحِيح)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : সায়হান, জায়হান, ফুরাত ও নীল- এ সকল নদীগুলো জান্নাতের নহর।
সহীহ: মুসলিম ২৬-(২৮৩৯), মুসনাদে আহমাদ ৭৮৭৩, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ১১০, সহীহুল জামি' ৩৬৫২।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৫৬২৮-[১৭]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) চারটি নদীর নাম উল্লেখ করেছেন—সায়হান, জায়হান, ফুরাত ও নীল। তিনি বলেছেন, এগুলো জান্নাতের নহর। হাদিসটি সংক্ষিপ্ত, তাই এর ব্যাখ্যাও সরাসরি কথার মধ্যে সীমিত রাখা উচিত। এখানে জান্নাতের নদী সম্পর্কে একটি বিশেষ বর্ণনা এসেছে। জান্নাতের নেয়ামতের মধ্যে নদীর কথা কুরআন ও হাদিসে বহুবার এসেছে, তবে এই হাদিসে নির্দিষ্টভাবে চারটি নাম বলা হয়েছে। এই বর্ণনা মুমিনের মনে জান্নাতের সৌন্দর্য ও আল্লাহর দানের কথা জাগ্রত করে। তবে নদীগুলোর দুনিয়াবি অবস্থান বা বিস্তারিত ব্যাখ্যা এই হাদিসে নেই, তাই তা এখানে যোগ করা হলো না। মূল শিক্ষা হলো, জান্নাতের নেয়ামত বাস্তব এবং আল্লাহ তা তাঁর বান্দাদের জন্য প্রস্তুত করেছেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাদিসে চারটি নদীকে জান্নাতের নহর বলা হয়েছে।
- জান্নাতের নেয়ামতের মধ্যে নদীর বিশেষ বর্ণনা আছে।
- সংক্ষিপ্ত হাদিসের ব্যাখ্যা সরাসরি বক্তব্যেই সীমিত রাখা উচিত।
- জান্নাতের সৌন্দর্য মুমিনের অন্তরে আশা জাগায়।
