২৮/৫. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৫৬৫০-[৩৯] - জান্নাতের সমুদ্র ও নদীসমূহ
জান্নাত ও জান্নাতবাসীদের বিবরণ - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
জান্নাতের পানি, মধু, দুধ ও শরাবের নদী
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৫৬৫০-[৩৯]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৫৬৫০-[৩৯]
وَعَن حكيمِ بن مُعَاوِيَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّ فِي الْجَنَّةِ بَحْرُ الْمَاءِ وَبَحْرُ الْعَسَلِ وَبَحْرُ اللَّبَنِ وَبَحْرُ الْخَمْرِ ثُمَّ تشقَّقُ الأنهارُ بعدُ». رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ حسن، رواہ الترمذی (2571 وقال : حسن صحیح)۔ (صَحِيح)
হাকীম ইবনু মু'আবিয়াহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : জান্নাতে রয়েছে পানির সমুদ্র, মধুর দরিয়া, দুধের সমুদ্র এবং শরাবের দরিয়া। অতঃপর তা থেকে আরো বহু নদী প্রবাহিত হবে।
সহীহ: তিরমিযী ২৫৭১, সহীহুল জামি ৩৮৮৫, মুসনাদে ‘আবদ ইবনু হুমায়দ ৪১০, আল মু'জামুল কাবীর লিত্ব বারানী ১৬৩৭১।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৫৬৫০-[৩৯]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জান্নাতের নদী ও সমুদ্রের সংক্ষিপ্ত কিন্তু খুব সুন্দর বর্ণনা এসেছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, জান্নাতে পানির সমুদ্র আছে, মধুর দরিয়া আছে, দুধের সমুদ্র আছে এবং শরাবের দরিয়া আছে। এরপর সেখান থেকে আরও বহু নদী প্রবাহিত হবে। এখানে জান্নাতের নিয়ামতকে দুনিয়ার পরিচিত চারটি পানীয়ের ভাষায় বোঝানো হয়েছে। পানি জীবন ও তৃপ্তির কথা মনে করায়, মধু মিষ্টতার কথা, দুধ পবিত্রতার কথা, আর জান্নাতের শরাব দুনিয়ার ক্ষতিকর মদের মতো নয়—এটি জান্নাতের নিয়ামত হিসেবে বর্ণিত। হাদিসটি জান্নাতের নদী, জান্নাতের পানীয় ও আল্লাহর দানের বিশালতা নিয়ে ভাবতে সাহায্য করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জান্নাতের নদীগুলো আল্লাহর দানের বিশালতার পরিচয় বহন করে।
- পানি, মধু, দুধ ও শরাব—দুনিয়ার পরিচিত শব্দ দিয়ে জান্নাতের নিয়ামত বোঝানো হয়েছে।
- জান্নাতের নিয়ামত নিয়ে ভাবা ঈমানের আশা ও আগ্রহ বাড়াতে পারে।
