২৮/৫. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৫৬৫১-[৪০] - দারিমীর বর্ণনায় জান্নাতের নদী
জান্নাত ও জান্নাতবাসীদের বিবরণ - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
জান্নাতের নদী সম্পর্কে দারিমীর বর্ণনা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৫৬৫১-[৪০]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৫৬৫১-[৪০]
رَوَاهُ الدَّارمِيّ عَن مُعَاوِيَة حسن، رواہ الدارمی (2 / 337 ح 2839)۔ (صَحِيح)
মু‘আবিয়াহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আর দারিমী হাদীসটি মু‘আবিয়াহ্ (রাঃ) হতে রিওয়ায়াত করেছেন।
সহীহ: তিরমিযী ২৫৭১, সহীহ ইবনু হিব্বান ২৬২৩, দারিমী ২/৩৩৭।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৫৬৫১-[৪০]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত। এতে মূল নতুন কোনো বিশদ বর্ণনা নেই; বরং বলা হয়েছে, দারিমী হাদিসটি মু‘আবিয়াহ রাঃ থেকে রিওয়ায়াত করেছেন। আগের বর্ণনার সঙ্গে মিলিয়ে বুঝলে এটি জান্নাতের পানি, মধু, দুধ ও শরাবের সমুদ্র এবং সেখান থেকে নদী প্রবাহিত হওয়ার কথার সূত্র-সংক্রান্ত একটি সহায়ক তথ্য। তাই এই অংশকে আলাদা করে ব্যাখ্যা করলে বলতে হয়, জান্নাতের নদী সম্পর্কিত বর্ণনাটি শুধু একটি সূত্রে সীমাবদ্ধ নয়; দারিমীর মাধ্যমেও মু‘আবিয়াহ রাঃ থেকে তা এসেছে। তবে এই আইডির নিজস্ব পাঠ ছোট হওয়ায় অতিরিক্ত বিস্তারিত দাবি করা ঠিক হবে না। মূল শিক্ষা হলো—হাদিসের তথ্য বুঝতে কখনো মূল বর্ণনা ও সূত্র-উল্লেখ একসাথে পড়তে হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এই বর্ণনা মূলত সূত্র-সংক্রান্ত একটি সংক্ষিপ্ত তথ্য দেয়।
- একই বিষয়ের বর্ণনা ভিন্ন সাহাবি বা গ্রন্থের মাধ্যমে আসতে পারে।
- সংক্ষিপ্ত হাদিস ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত তথ্য যোগ না করে মূল পাঠে থাকা কথাই রাখা উচিত।
