৩০/১২. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৬২০১-[৬] - বিলাল রাঃ-এর জান্নাতি মর্যাদা
সমষ্টিগতভাবে মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য - প্রথম অনুচ্ছেদ
জান্নাতে বিলাল রাঃ-এর পদধ্বনি
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৬২০১-[৬]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৬২০১-[৬]
وَعَنْ جَابِرٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «أُرِيْتُ الْجَنَّةَ فَرَأَيْتُ امْرَأَةَ أَبِي طَلْحَةَ وَسَمِعْتُ خَشْخَشَةً أَمَامِي فَإِذَا بِلَالٌ». رَوَاهُ مُسلم رواہ مسلم (106 / 2457)، (6321) ۔ (صَحِيح)
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : আমাকে জান্নাত দেখানো হয় (মি'রাজে অথবা স্বপ্নে,) সেখানে আমি আবূ ত্বলহাহ্ (রাঃ)-এর স্ত্রীকে দেখলাম এবং আমার সামনে কারো (চলার) পায়ের খসখস শব্দ শুনতে পাই, লক্ষ করে দেখি তিনি বিলাল (রাঃ)।
সহীহ: মুসলিম ১০৬-(২৪৫৭), সিলসিলাতুস্ সহীহাহ ১৪০৫, সহীহুল জামি' ৯১৩।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৬২০১-[৬]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জান্নাত, সাহাবীদের মর্যাদা এবং আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের সম্মান একসাথে ফুটে উঠেছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, তাঁকে জান্নাত দেখানো হয়েছিল। সেখানে তিনি আবূ ত্বলহাহ্-এর স্ত্রীকে দেখেছেন এবং নিজের সামনে কারো চলার পায়ের খসখস শব্দ শুনেছেন। লক্ষ করে দেখেন, তিনি বিলাল রাঃ। হাদিসের ভাষা সংক্ষিপ্ত হলেও এর শিক্ষা গভীর। এখানে বিলাল রাঃ-এর ফজিলত এমনভাবে এসেছে, যা মুমিনের অন্তরে সাহাবীদের প্রতি ভালোবাসা বাড়ায়। একই সঙ্গে আবূ ত্বলহাহ্-এর স্ত্রীর মর্যাদাও বোঝা যায়। এই বর্ণনা আমাদের শেখায়, আল্লাহ যাকে সম্মান দেন, তার মর্যাদা দুনিয়ার চোখে নয়; আল্লাহর কাছে তাঁর অবস্থান দিয়েই তা বোঝা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের মর্যাদা জান্নাতের সুসংবাদে প্রকাশ পেতে পারে।
- সাহাবীদের ফজিলত শুনলে তাঁদের প্রতি ভালোবাসা ও সম্মান বাড়ানো উচিত।
- দুনিয়ার পরিচয়ের চেয়ে আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়াই আসল সম্মান।
