৪/৩. অধ্যায়ঃ

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৬২৫-[২] - দুই ঠান্ডা সময়ের সালাত

সালাতের ফজিলত - প্রথম অনুচ্ছেদ

এ অধ্যায়ে সালাতের ফাযীলাত সংক্রান্ত আলোচনা এসেছে। ইবনে হাজার বলেন, ফাযা-য়িলিস সলা-হ্ এর অর্থ হলো, যে সকল বিষয় সালাতের সাওয়াবকে পূর্ণতা দান করে।

দুই ঠান্ডা সময়ের সালাত ও জান্নাতের আশা

মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৬২৫-[২]

وَعَنْ أَبِي مُوسى قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ مَنْ صَلَّى الْبَرْدَيْنِ دَخَلَ الْجَنَّةَ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি দুই ঠান্ডা সময়ের সালাত (অর্থাৎ ফজর ও আসর) আদায় করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। [১]

[১] সহীহ : বুখারী ৫৭৪, মুসলিম ৬৩৫, আহমাদ ১৬৭৩০, দারেমী ১৪৬৫, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ২১৮৫, সহীহ আল জামি‘ ৬৩৩৭।

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৬২৫-[২]-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, যে ব্যক্তি দুই ঠান্ডা সময়ের সালাত আদায় করবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। বর্ণনায় দুই ঠান্ডা সময় বলতে ফজর ও আসরকে বোঝানো হয়েছে। ফজর সাধারণত ঘুমের সময়ের কাছাকাছি, আর আসর দিনের কাজের ব্যস্ত সময়ে আসে। তাই এই দুই সালাত নিয়মিত আদায় করা একজন মুসলিমের মনোযোগ, শৃঙ্খলা এবং আল্লাহর নির্দেশকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রকাশ। হাদিসটি ফজর নামাজ ও আসর নামাজের ফজিলতকে সহজ ভাষায় সামনে আনে। এখানে মূল শিক্ষা হলো, সময়মতো সালাত আদায় করা এবং বিশেষভাবে ফজর-আসরকে অবহেলা না করা।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • ফজর ও আসর সালাতের বিশেষ মর্যাদা আছে।
  • ঘুম বা ব্যস্ততার মাঝেও সালাতকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
  • নিয়মিত সালাত জান্নাতের আশার কারণ হতে পারে।
  • দুই ঠান্ডা সময়ের সালাত অবহেলা করা উচিত নয়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন