৪/৩. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৬২৪-[১] - ফজর ও আসরের বিশেষ মর্যাদা
সালাতের ফজিলত - প্রথম অনুচ্ছেদ
এ অধ্যায়ে সালাতের ফাযীলাত সংক্রান্ত আলোচনা এসেছে। ইবনে হাজার বলেন, ফাযা-য়িলিস সলা-হ্ এর অর্থ হলো, যে সকল বিষয় সালাতের সাওয়াবকে পূর্ণতা দান করে।
ফজর ও আসরের সালাতের বিশেষ গুরুত্ব
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৬২৪-[১]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৬২৪-[১]
عَنْ عُمَارَةَ بْنِ رُؤَيْبَةَ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ يَقُولُ لَنْ يَلِجَ النَّارَ أَحَدٌ صَلّى قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ غُرُوبِهَا يَعْنِي الْفَجْرَ وَالْعَصْرَ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ
‘উমারাহ্ ইবনু রুআয়বাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -কে বলতে শুনেছি: এমন ব্যক্তি জাহান্নামে যাবে না, যে সূর্য উঠার ও ডোবার আগে সালাত আদায় করেছে, অর্থাৎ ফজর ও আসরের সালাত। [১]
[১] সহীহ : মুসলিম ৬৩৪, সহীহ আল জামি‘ ৫২২৮, আবূ দাঊদ ৪২৭, নাসায়ী ৪৭১, সহীহ ইবনু হিব্বান ১৭৩৮।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৬২৪-[১]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, যে ব্যক্তি সূর্য ওঠার আগে এবং সূর্য ডোবার আগে সালাত আদায় করেছে, সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে না। বর্ণনায় নিজেই ব্যাখ্যা এসেছে যে এতে ফজর ও আসরের সালাত বোঝানো হয়েছে। তাই ফজর নামাজ ও আসর নামাজকে অবহেলা করা উচিত নয়। দিনের শুরুতে ফজর এবং দিনের শেষ ভাগে আসর—এই দুই সময় মানুষের ব্যস্ততা, ঘুম বা ক্লান্তির কারণে কঠিন হতে পারে। কিন্তু হাদিসে এ দুই সালাতের বড় মর্যাদা বোঝানো হয়েছে। এখানে কোনো বাড়তি দাবি না করে বলা যায়, ফজর ও আসরের সালাত নিয়মিত আদায় করা ঈমানদারের জীবনে বড় আমল এবং আখিরাতের জন্য আশার কারণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ফজর ও আসরের সালাত বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে আদায় করা উচিত।
- দিনের শুরু ও শেষ ভাগে সালাত ধরে রাখা বড় আমল।
- ঘুম, কাজ বা ব্যস্ততার কারণে এ দুই সালাত অবহেলা করা ঠিক নয়।
- হাদিসে এ দুই সালাত আদায়কারীর জন্য বড় আশার কথা এসেছে।
