৪/৩. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৬৩৩-[১০] - মধ্যবর্তী সালাত ও আসর
সালাতের ফজিলত - প্রথম অনুচ্ছেদ
এ অধ্যায়ে সালাতের ফাযীলাত সংক্রান্ত আলোচনা এসেছে। ইবনে হাজার বলেন, ফাযা-য়িলিস সলা-হ্ এর অর্থ হলো, যে সকল বিষয় সালাতের সাওয়াবকে পূর্ণতা দান করে।
মধ্যবর্তী সালাত হিসেবে আসরের গুরুত্ব
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৬৩৩-[১০]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৬৩৩-[১০]
عَنْ عَلِيٍّ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ ﷺ قَالَ يَوْمَ الْخَنْدَقِ حَبَسُونَا عَنْ صَلَاةِ الْوُسْطى صَلَاةِ الْعَصْرِ مَلَا اللّهُ بُيُوتَهُمْ وَقُبُورَهُمْ نَارًا. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
আলী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) খন্দাক্বের যুদ্ধের দিন বলেছিলেন, কাফিররা আমাদেরকে ‘মধ্যবর্তী সালাত’ অর্থাৎ আসরের সালাত আদায় করা থেকে বিরত রেখেছে। আল্লাহ তা’আলা তাদের ঘর আর কবরগুলো আগুন দিয়ে ভরে দিন। [১]
[১] সহীহ : বুখারী ৪৫৩৩, মুসলিম ৬২৭, আবূ দাউদ ৪০৯, দারেমী ১২৬৮।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৬৩৩-[১০]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ‘আলী (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, খন্দাকের যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছিলেন, কাফিররা আমাদেরকে মধ্যবর্তী সালাত, অর্থাৎ আসরের সালাত আদায় করা থেকে বিরত রেখেছে। এরপর তিনি তাদের বিরুদ্ধে কঠোর দো‘আ করেন। এখানে মূল বিষয় হলো, আসর সালাতের গুরুত্ব এবং যুদ্ধের মতো কঠিন অবস্থাতেও সালাত মিস হওয়া কত কষ্টের বিষয় ছিল। হাদিসে ‘সালাতুল উসতা’ বা মধ্যবর্তী সালাতকে আসর বলা হয়েছে। তাই আসর নামাজকে দিনের ব্যস্ততার মাঝে হালকা করে দেখা যাবে না। এই হাদিস মুসলিমকে স্মরণ করায়, পরিস্থিতি কঠিন হলেও সালাতের গুরুত্ব হৃদয়ে থাকা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আসর সালাতের বিশেষ গুরুত্ব এই হাদিসে এসেছে।
- সালাত থেকে বিরত রাখা গুরুতর বিষয়।
- কঠিন অবস্থাতেও সালাতের কষ্ট হৃদয়ে থাকা ঈমানের লক্ষণ।
- মধ্যবর্তী সালাত হিসেবে আসরের মর্যাদা বোঝা যায়।
