৪/৬. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৬৮০-[১] - বিলালের রাতের আযান ও সাহরি
বিলম্বে আজান - প্রথম অনুচ্ছেদ
বিলালের রাতের আযান ও ফজরের সাহরি
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৬৮০-[১]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৬৮০-[১]
عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ إِنَّ بِلَالًا يُؤَذِّنُ بِلَيْلٍ فَكُلُوْا وَاشْرَبُوْا حَتّى يُنَادِىَ ابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ ثُمَّ قَالَ وَكَانَ رَجُلًا أَعْمى لَا يُنَادِىْ حَتّى يُقَالَ لَه أَصْبَحْتَ أَصْبَحْتَ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
বিলাল (রাঃ) রাত থাকতে আযান দেয়। তাই তোমরা ইবনু উম্মু মাকতূমের আযান না দেয়া পর্যন্ত খাওয়া-দাওয়া করতে থাকবে। ইবনু উমর (রাঃ) বলেন, ইবনু উম্মু মাকতূম (রাঃ) অন্ধ ছিলেন। ‘ভোর হয়ে গেছে, ভোর হয়ে গেছে’ তাঁকে না বলা পর্যন্ত তিনি আযান দিতেন না। [১]
[১] সহীহ : বুখারী ৬১৭, মুসলিম ১০৯২, নাসায়ী ৬৩৮, তিরমিযী ২০৩, আহমাদ ৪৫৫১, দারেমী ১২২৬, সহীহ ইবনু হিব্বান ৩৪৭০, ইরওয়া ২১৯।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৬৮০-[১]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ফজরের আগের আযান ও সাহরির সময় সম্পর্কে স্পষ্ট নির্দেশনা এসেছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, বিলাল রাত থাকতে আযান দেয়। তাই ইবনু উম্মু মাকতূম আযান না দেওয়া পর্যন্ত তোমরা খাওয়া-দাওয়া করতে থাকবে। ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু আরও জানান, ইবনু উম্মু মাকতূম অন্ধ ছিলেন; তাঁকে ‘ভোর হয়ে গেছে’ বলা না হওয়া পর্যন্ত তিনি আযান দিতেন না। এতে বোঝা যায়, বিলালের আযান ছিল রাতের আযান, আর ইবনু উম্মু মাকতূমের আযান ছিল ফজরের সময়ের ঘোষণা। তাই সাহরির ক্ষেত্রে কোন আযানটি সময়ের চিহ্ন—এ বিষয়টি বুঝে আমল করা জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহুর আযান রাত থাকতে দেওয়া হতো।
- ইবনু উম্মু মাকতূমের আযান ফজরের সময়ের চিহ্ন হিসেবে এসেছে।
- সাহরির সময় বুঝতে সঠিক আযানের দিকে লক্ষ্য রাখা দরকার।
- সময়ের বিষয়ে ভুল এড়াতে নির্ভরযোগ্য ঘোষণার গুরুত্ব আছে।
