৪/৬. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৬৮২-[৩] - সফরে আযান ইকামাত ও ইমামতি
বিলম্বে আজান - প্রথম অনুচ্ছেদ
সফরে আযান ও ইমামতির নিয়ম
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৬৮২-[৩]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৬৮২-[৩]
وَعَنْ مَّالِكِ بْنِ الْحَوَيْرِثِ قَالَ اَتِيْتُ النَّبِيّ ﷺ اَنَا وَابْنُ عَمٍّ لِّىْ فَقَالَ إِذَا سَافَرْتُمَا فَاَذِّنَا وَاَقِيْمَا وَلْيَؤُمَّكُمَا اَكْبَرُكُمَا. رَوَاهُ الْبُخَارِىُّ
মালিক ইবনু হুওয়াইরিস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি ও আমার চাচাতো ভাই, নবী (ﷺ) এর নিকট গেলাম। তিনি আমাদেরকে বললেন, তোমরা সফরে গেলে আজান দিবে ও ইক্বামাত বলবে এবং তোমাদের মধ্যে যে বড় সে ইমামতি করবে। [১]
[১] সহীহ : বুখারী ৬২৮, ২৮৪৮, মুসলিম ৬৭৪, নাসায়ী ৬৩৪, তিরমিযী ২০৫, ইবনু মাজাহ্ ৯৭৯, ইরওয়া ২১৫, সহীহ আল জামি‘ ৫৮৮; শব্দবিন্যাস আত্ তিরমিযীর।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৬৮২-[৩]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সফরের সময় সালাতের আদব ও জামা‘আতের একটি সহজ নিয়ম বলা হয়েছে। মালিক ইবনুল হুয়াইরিস (রাঃ) বলেন, তিনি ও তাঁর চাচাতো ভাই নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে গেলে তিনি তাদের বলেন, সফরে গেলে আযান দেবে, ইকামাত বলবে এবং তোমাদের মধ্যে যে বয়সে বড় সে ইমামতি করবে। এখানে সফরে সালাতকে হালকা করে দেখার সুযোগ রাখা হয়নি। বরং সফরেও আযান, ইকামাত এবং জামা‘আতের শৃঙ্খলা বজায় রাখার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। ইমামতির জন্য বয়সে বড় ব্যক্তিকে সামনে দেওয়ার কথা এখানে এসেছে, কারণ এই নির্দিষ্ট অবস্থায় রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তাঁদের এভাবেই নির্দেশ দিয়েছেন। হাদিসটি সফরে সালাত, আযান ইকামাত এবং ইমাম নির্বাচন বিষয়ে পরিষ্কার দিকনির্দেশনা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সফরেও সালাতের জন্য আযান ও ইকামাতের গুরুত্ব আছে।
- দুইজন হলেও জামা‘আতের শৃঙ্খলা রক্ষা করা ভালো।
- এই হাদিসে বয়সে বড় ব্যক্তিকে ইমাম করার নির্দেশ এসেছে।
- সফরের ব্যস্ততার মাঝেও সালাতের আদব বজায় রাখতে হয়।
