৪/১২. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৮৩৬-[১৫] - ফজরে ওয়াল লায়লি ইযা আসআস
সালাতে কিরাআতের বর্ণনা - প্রথম অনুচ্ছেদ
ফজরের সালাতে ওয়াল লায়লি ইযা আসআস
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৮৩৬-[১৫]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৮৩৬-[১৫]
وَعَنْ عَمْرِو بْنِ حُرَيْثٍ أَنَّه سَمِعَ النَّبِيَّ ﷺ يَقْرَأُ فِي الْفَجْرِ وَاللَّيْلِ إِذَا عَسْعَسَ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ
‘আমর ইবনু হুরায়স (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে ফজরের সালাতে “ওয়াল লায়লি ইযা- ‘আস্আস্” সূরা তিলাওয়াত করতে শুনেছেন। [১]
[১] সহীহ : মুসলিম ৪৫৬, আহমাদ ১৮৭৩৩, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৪০০৯।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৮৩৬-[১৫]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আমর ইবনু হুরাইস (রাঃ) বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-কে ফজরের সালাতে “ওয়াল লায়লি ইযা আসআস” তিলাওয়াত করতে শুনেছেন। এটি ফজরের কিরাআতের আরেকটি বর্ণনা। আগের বর্ণনায় সূরা ক্বাফ এসেছে, এখানে অন্য সূরার অংশ এসেছে। তাই হাদিসটি দেখায়, ফজরের সালাতে নবী صلى الله عليه وسلم-এর কিরাআতে বৈচিত্র্য ছিল। ফজর সালাতে কুরআন তিলাওয়াত দীর্ঘ বা গভীর হতে পারে, কিন্তু তা কোনো এক সূরায় সীমাবদ্ধ নয়। একজন মুসলিম এই হাদিস থেকে শিখতে পারে, সালাতে কিরাআত মনোযোগ দিয়ে পড়া ও শোনা দরকার। বিশেষ করে ফজর দিনের শুরুতে আল্লাহর কালামের সাথে সম্পর্ক মজবুত করার সময়। এই ধরনের বর্ণনা আমাদের শেখায়, নবী صلى الله عليه وسلم-এর সালাতে কুরআন পাঠ জীবন্ত ছিল এবং সাহাবিরা তা শুনে মনে রাখতেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ফজরের সালাতে নির্দিষ্ট সূরার অংশ পড়ার বর্ণনা আছে।
- নবী صلى الله عليه وسلم-এর ফজর কিরাআতে বৈচিত্র্য ছিল।
- দিনের শুরুতে কুরআন তিলাওয়াতের প্রতি মনোযোগ পাওয়া যায়।
