১/৩. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ১১ - প্রশ্নের শিষ্টাচার ও শিক্ষা
ইসলামের রুকনসমূহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার বর্ণনা
দ্বীন শেখার জন্য প্রশ্নের শিষ্টাচার ও ফরজ আমলের শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ১১
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১১
حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ هَاشِمٍ الْعَبْدِيُّ، حَدَّثَنَا بَهْزٌ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، عَنْ ثَابِتٍ، قَالَ قَالَ أَنَسٌ كُنَّا نُهِينَا فِي الْقُرْآنِ أَنْ نَسْأَلَ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ عَنْ شَىْءٍ. وَسَاقَ الْحَدِيثَ بِمِثْلِهِ.
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর কাছে কোন প্রশ্ন করতে কোরআন মাজীদে আমাদের নিষেধ করা হয়েছিল। তারপর তিনি হাদীসটির বাকি অংশ (উল্লিখিত হাদীসের) অনুরূপ বর্ণনা করেন।
ই.ফা. ১১; ই.সে. ১১
সহীহ মুসলিম হাদিস ১১-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় বলা হয়েছে, কুরআনে রসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে কোনো বিষয়ে প্রশ্ন করতে সাহাবীদের নিষেধ করা হয়েছিল। এরপর আগের হাদিসের মতো বাকি অংশ বর্ণিত হয়েছে। এর অর্থ, সাহাবীরা নিজেরা প্রশ্ন করতে সাবধানতা অবলম্বন করতেন। তাই যখন কোনো বেদুঈন বা দূর থেকে আসা ব্যক্তি প্রশ্ন করতেন, তাঁরা মনোযোগ দিয়ে শুনতেন এবং দ্বীনের শিক্ষা গ্রহণ করতেন। এই হাদিসের শিক্ষা শুধু প্রশ্ন করার ব্যাপারে নয়; এর সঙ্গে তাওহীদ, রিসালাত, সালাত, যাকাত, সাওম ও হজ্জের মতো ফরজ আমলের কথাও যুক্ত। এখানে বোঝা যায়, দ্বীন শেখার ক্ষেত্রে শিষ্টাচার দরকার, আর সঠিক প্রশ্নের উত্তর অনেক মানুষের জন্য উপকারী হতে পারে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দ্বীনের প্রশ্ন করার ক্ষেত্রেও আদব ও সাবধানতা জরুরি।
- অন্যের প্রশ্ন থেকেও গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞান শেখা যায়।
- তাওহীদ ও ফরজ ইবাদত দ্বীনের মূল শিক্ষার অংশ।
- সাহাবীরা নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কথা মনোযোগ দিয়ে গ্রহণ করতেন।
