১/২৪. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ১১২ - ব্যভিচার ও তাওবার সতর্কতা
গুনাহ দ্বারা ঈমানের ক্ষতি হয় এবং গুনাহে লিপ্ত থাকা অবস্থায় ঈমান থাকে না অর্থাৎ ঈমানের পূর্ণতা থাকে না
ব্যভিচার ও বড় গুনাহ: তাওবার পথে ফিরে আসার শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ১১২
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১১২
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ ذَكْوَانَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، رَفَعَهُ قَالَ " لاَ يَزْنِي الزَّانِي " . ثُمَّ ذَكَرَ بِمِثْلِ حَدِيثِ شُعْبَةَ.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
ব্যভিচারী ব্যভিচারে লিপ্ত ……এরপর শু’বার হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
ই.ফা. ১১৩; ই.সে. ১১৭
সহীহ মুসলিম হাদিস ১১২-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় বলা হয়েছে, ব্যভিচারী ব্যভিচারে লিপ্ত হয়—এরপর শুবার হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা এসেছে। আগের বর্ণনায় ব্যভিচার, চুরি ও মদ পান করার সময় মুমিন না থাকার কথা এবং পরে তাওবার দরজা খোলা থাকার কথা এসেছে। তাই এই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, বড় গুনাহ মানুষের ঈমানী অবস্থাকে কঠিন বিপদে ফেলে। তবে গুনাহ করার পর হতাশ হয়ে বসে থাকা নয়; তাওবার দিকে ফিরে আসা দরকার। এ হাদিস একজন মুসলিমকে নিজের আচরণ নিয়ে সতর্ক করে। বিশেষ করে গোপন বা প্রকাশ্য যেকোনো গুনাহের সময় মনে রাখতে হবে—ঈমান শুধু মুখের দাবি নয়, কাজেও তার প্রমাণ দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ব্যভিচার বড় গুনাহ এবং ঈমানের জন্য কঠিন সতর্কতা।
- শুবার বর্ণনার অনুরূপ হওয়ায় মূল শিক্ষা একই থাকে।
- গুনাহের পর তাওবার পথে ফিরে আসা জরুরি।
- ঈমানের দাবি আচরণে প্রকাশ পাওয়া দরকার।
