৫/৩৬. অধ্যায়ঃ
যারা বলে মধ্যবর্তী সলাত হচ্ছে ‘আসরের সলাত-তার দলীল
সহিহ মুসলিম : ১৩১২
সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৩১২
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَأَبُو كُرَيْبٍ قَالُوا حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ مُسْلِمِ بْنِ صُبَيْحٍ، عَنْ شُتَيْرِ بْنِ شَكَلٍ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ الأَحْزَابِ " شَغَلُونَا عَنِ الصَّلاَةِ الْوُسْطَى صَلاَةِ الْعَصْرِ مَلأَ اللَّهُ بُيُوتَهُمْ وَقُبُورَهُمْ نَارًا " . ثُمَّ صَلاَّهَا بَيْنَ الْعِشَاءَيْنِ بَيْنَ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ .
‘আলী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আহযাব যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে একদিন রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন: তারা কাফিররা আমাদেরকে যুদ্ধে ব্যস্ত রেখে সালাতুল উসতা (মধ্যবর্তীকালীন সালাত, অর্থাৎ আসরের সালাত) থেকে বিরত রেখেছে। আল্লাহ তাদের ঘর-বাড়ি ও কবরসমূহ আগুন দিয়ে ভরে দিন। অতঃপর তিনি এ সালাত মাগরিব এবং ইশা সালাতের মধ্যবর্তী সময়ে আদায় করলেন।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১২৯৯, ইসলামীক সেন্টারঃ ১৩১১[১] নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহিওয়াসাল্লাম) আসর সলাত আদায় করার বিলম্ব হওয়া সলাতুল খাওফ বা ভীতিকালীন সলাতের বিধান নাযিল হওয়ার পূর্বেছিল। কিংবা অতি ব্যস্ততার কারণে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহিওয়াসাল্লাম) ভুলে গিয়েছিলেন। কিন্তু বর্তমানে শত্রুর মুকাবিলা, যুদ্ধক্ষেত্রে এবং ভুলে না গেলে সলাত বিলম্ব করা জায়িয নেই। (শারহে মুসলিম-১ম খন্ড ২২৭ পৃষ্ঠা) ]
