১/৩১. অধ্যায়ঃ

সহীহ মুসলিম হাদিস ১৩৩ - পালানো দাসের সালাত

পলাতক দাসকে কাফির আখ্যায়িত করা

দাস পালিয়ে গেলে সালাত কবুল না হওয়া: হাদিসের শিক্ষা

সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৩৩

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مُغِيرَةَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، قَالَ كَانَ جَرِيرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ يُحَدِّثُ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ «إِذَا أَبَقَ الْعَبْدُ لَمْ تُقْبَلْ لَهُ صَلاَةٌ» .

জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) বলেছেন, যখন দাস পালিয়ে যায়, তখন তার সালাত কবুল হয় না।

ই.ফা. ১৩৪; ই.সে. ১৩৮

সহীহ মুসলিম হাদিস ১৩৩-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم বলেছেন, যখন দাস পালিয়ে যায়, তখন তার সালাত কবুল হয় না। এটি খুব কঠোর সতর্কবাণী। এখানে “দাস পালানো”, “সালাত কবুল হয় না” এবং “ঈমানি দায়িত্ব”—এই বিষয়গুলো সরাসরি এসেছে। হাদিসটি দাসপ্রথার নির্দিষ্ট অবস্থার কথা বলছে, তাই এটিকে সাধারণভাবে অন্য বিষয়ের সঙ্গে মিশিয়ে ফেলা ঠিক নয়। তবে টেক্সট থেকে স্পষ্টভাবে বোঝা যায়, দায়িত্বের জায়গা থেকে পালিয়ে যাওয়া এমন কাজ, যা ইবাদতের গ্রহণযোগ্যতার ওপরও ভয়ংকর প্রভাব ফেলতে পারে। সালাত মুসলিমের বড় ইবাদত, আর সেই সালাতের ব্যাপারে এমন সতর্কতা আসা বিষয়টির গুরুত্ব দেখায়। তাই এই হাদিস আমাদের দায়িত্ব পালনে সতর্ক করে এবং অন্যায়ভাবে পালিয়ে যাওয়ার পথ থেকে দূরে থাকতে শেখায়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • দাস পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে সালাত কবুল না হওয়ার সতর্কতা এসেছে।
  • ইবাদতের সঙ্গে দায়িত্বশীল আচরণের সম্পর্ক আছে।
  • হাদিসটি নির্দিষ্ট অবস্থার কথা বলেছে, তাই অতিরিক্ত সাধারণীকরণ করা উচিত নয়।
  • দায়িত্ব থেকে অন্যায়ভাবে পালানো গুরুতর গুনাহের পথ হতে পারে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন