৫/৩৯. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৩৪২ - কিতাবে ইশা সালাতের নাম
‘ইশার সময় ও তাতে বিলম্ব করা
আল্লাহর কিতাবে ইশা: সালাতের সঠিক নাম
সহীহ মুসলিম : ১৩৪২
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৩৪২
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي لَبِيدٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " لاَ تَغْلِبَنَّكُمُ الأَعْرَابُ عَلَى اسْمِ صَلاَتِكُمُ الْعِشَاءِ فَإِنَّهَا فِي كِتَابِ اللَّهِ الْعِشَاءُ وَإِنَّهَا تُعْتِمُ بِحِلاَبِ الإِبِلِ " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, গেঁয়ো বেদুইন লোকেরা যেন তোমাদেরকে ইশার সালাতের নামকরণের ব্যাপারে প্রভাবান্বিত না করে বসে। কেননা, আল্লাহর কিতাবে এ সালাতের নাম ইশা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকৃত ব্যাপার হলো তারা (গ্রাম্য লোকেরা) উট দোহনে অনেক বিলম্ব করে থাকে।
ই.ফা.১৩২৯, ই.সে.১৩৪১
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৩৪২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) ইশার সালাতের নাম নিয়ে স্পষ্ট কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, গেঁয়ো বেদুঈনরা যেন মুসলিমদেরকে ইশার সালাতের নামকরণে প্রভাবিত না করে। কারণ আল্লাহর কিতাবে এই সালাতের নাম ইশা হিসেবে এসেছে। এরপর তিনি বলেন, বাস্তব ব্যাপার হলো তারা উট দোহনে অনেক দেরি করে, তাই সেই দেরির কারণে ‘আতামাহ’ নামটি তাদের মধ্যে প্রচলিত। এই বর্ণনায় ইশা সালাতের নাম, আল্লাহর কিতাবে ইশা, আতামাহ শব্দের ব্যবহার এবং সালাতের পরিচয়—এসব বিষয় সরাসরি যুক্ত। এখানে মূল শিক্ষা হলো, সালাতের নামকরণে কুরআনে উল্লেখিত নামকে গুরুত্ব দেওয়া। হাদিসটি ভাষা ও নামের ব্যাপারেও নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশনার প্রতি মনোযোগী হতে শেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইশার সালাতকে কিতাবে উল্লেখিত নাম ‘ইশা’ বলেই চেনা উচিত।
- ভুল বা কম উপযুক্ত প্রচলিত নামের প্রভাব থেকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
- ‘আতামাহ’ নামের পেছনে বেদুঈনদের উট দোহনে দেরির অভ্যাস উল্লেখ করা হয়েছে।
- সালাতের নামের ক্ষেত্রেও নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশনা অনুসরণ করা গুরুত্বপূর্ণ।
