৫/৪৭. অধ্যায়ঃ

কোন ওযরবশতঃ জামা’আতে শারীক না হওয়া

সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৩৮২

حَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى التُّجِيبِيُّ، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ مَحْمُودَ بْنَ الرَّبِيعِ الأَنْصَارِيَّ، حَدَّثَهُ أَنَّ عِتْبَانَ بْنَ مَالِكٍ وَهُوَ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِمَّنْ شَهِدَ بَدْرًا مِنَ الأَنْصَارِ أَنَّهُ أَتَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي قَدْ أَنْكَرْتُ بَصَرِي وَأَنَا أُصَلِّي لِقَوْمِي وَإِذَا كَانَتِ الأَمْطَارُ سَالَ الْوَادِي الَّذِي بَيْنِي وَبَيْنَهُمْ وَلَمْ أَسْتَطِعْ أَنْ آتِيَ مَسْجِدَهُمْ فَأُصَلِّيَ لَهُمْ وَدِدْتُ أَنَّكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ تَأْتِي فَتُصَلِّي فِي مُصَلًّى ‏.‏ فَأَتَّخِذَهُ مُصَلًّى ‏.‏ قَالَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ سَأَفْعَلُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ عِتْبَانُ فَغَدَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَبُو بَكْرٍ الصِّدِّيقُ حِينَ ارْتَفَعَ النَّهَارُ فَاسْتَأْذَنَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَذِنْتُ لَهُ فَلَمْ يَجْلِسْ حَتَّى دَخَلَ الْبَيْتَ ثُمَّ قَالَ ‏"‏ أَيْنَ تُحِبُّ أَنْ أُصَلِّيَ مِنْ بَيْتِكِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَأَشَرْتُ إِلَى نَاحِيَةٍ مِنَ الْبَيْتِ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَكَبَّرَ فَقُمْنَا وَرَاءَهُ فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ سَلَّمَ - قَالَ - وَحَبَسْنَاهُ عَلَى خَزِيرٍ صَنَعْنَاهُ لَهُ - قَالَ - فَثَابَ رِجَالٌ مِنْ أَهْلِ الدَّارِ حَوْلَنَا حَتَّى اجْتَمَعَ فِي الْبَيْتِ رِجَالٌ ذَوُو عَدَدٍ فَقَالَ قَائِلٌ مِنْهُمْ أَيْنَ مَالِكُ بْنُ الدُّخْشُنِ فَقَالَ بَعْضُهُمْ ذَلِكَ مُنَافِقٌ لاَ يُحِبُّ اللَّهَ وَرَسُولَهُ ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لاَ تَقُلْ لَهُ ذَلِكَ أَلاَ تَرَاهُ قَدْ قَالَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ ‏.‏ يُرِيدُ بِذَلِكَ وَجْهَ اللَّهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ قَالُوا اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ ‏.‏ قَالَ فَإِنَّمَا نَرَى وَجْهَهُ وَنَصِيحَتَهُ لِلْمُنَافِقِينَ ‏.‏ قَالَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فَإِنَّ اللَّهَ قَدْ حَرَّمَ عَلَى النَّارِ مَنْ قَالَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ ‏.‏ يَبْتَغِي بِذَلِكَ وَجْهَ اللَّهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ ابْنُ شِهَابٍ ثُمَّ سَأَلْتُ الْحُصَيْنَ بْنَ مُحَمَّدٍ الأَنْصَارِيَّ - وَهُوَ أَحَدُ بَنِي سَالِمٍ وَهُوَ مِنْ سَرَاتِهِمْ - عَنْ حَدِيثِ مَحْمُودِ بْنِ الرَّبِيعِ فَصَدَّقَهُ بِذَلِكَ ‏.

মাহ্‌মূদ ইবনুর রাবী’ আল আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) -এর সাথে বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী আনসারী সাহাবী ইতবান ইবনু মালিক (রাঃ) রসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর কাছে এসে বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল! আমি আমার দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেছি। অথচ আমি আমার কওমের লোকদের ইমামতি করি। কিন্তু বৃষ্টি হলে তাদের ও আমার এলাকার মধ্যবর্তী উপত্যকা প্লাবিত হয়ে যায়। তাই আমি মসজিদে গিয়ে সালাত আদায় করাতে পারি না। (এভাবে আমিও জামাতে সালাত আদায় করা থেকে বঞ্চিত হই) হে আল্লাহর রসূল! তাই আমার আকাঙ্ক্ষা হলো, আপনি আমার বাড়িতে গিয়ে একটি জায়গায় সালাত আদায় করবেন। সে স্থানটিকে আমি আমার সালাতের স্থান হিসেবে নির্দিষ্ট করে নেব।হাদিস বর্ণনাকারী মাহমুদ ইবন রাবী আল আনসারী বলেন, এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ ইনশাআল্লাহ, খুব শিগগীর আমি তা করব। ইতবান ইবনু মালিক আল আনসারী (রাঃ) বলেন: পরদিন সকালে কিছুটা বেলা হলে রসূলুল্লাহ (ﷺ) ও আবু বকর (রাঃ) আসলেন। রসূলুল্লাহ (ﷺ) (আমার বাড়িতে প্রবেশের) অনুমতি চাইলেন। আমি তাঁকে অনুমতি দিলে তিনি বাড়ির ভিতরে গিয়ে না বসেই সোজা ঘরে প্রবেশ করলেন এবং আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, ঘরের কোন স্থানে সালাত আদায় করলে তোমার ভাল হয়? আমি তখন তাঁকে ঘরের এক কোণের দিকে ইশারা করে দেখিয়ে দিলে রসূলুল্লাহ (ﷺ) সেখানে সালাত আদায় করতে দাঁড়ালেন। তিনি তাকবিরে তাহরিমা বললে আমরাও তাঁর পিছনে দাঁড়িয়ে গেলাম। তিনি দুই রাকাত সালাত আদায় করে সালাম ফেরালেন।ইতবান ইবনু মালিক আল আনসারী (রাঃ) বলেন- আমরা রসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর জন্য ছোট ছোট টুকরা করে যে গোশত পাক করেছিলাম তা খাওয়ার জন্য তাঁকে তৎক্ষণাৎ চলে যেতে বাধা দিলাম। ইতোমধ্যে (খবর ছড়িয়ে পড়াতে) আমাদের আশেপাশের বাড়ির লোকজন ছুটে আসল। শেষ পর্যন্ত ঘরে বেশ কিছু সংখ্যক লোক জমে গেল। তাদের মধ্যে একজন বলল, মালিক ইবনুদ দুখশুন কোথায়? (তাকে তো দেখছি না!) অন্য একজন বলে উঠল, আরে, সে তো মুনাফিক। সে আল্লাহ এবং তাঁর রসূলকে মোটেই পছন্দ করে না।এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তার সম্পর্কে এভাবে বলো না। তুমি কি মনে করো না যে, সে শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই “লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহ” বলেছে। অর্থাৎ- “আল্লাহ ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই” বলে বিশ্বাস করেছে। ইতবান ইবনু মালিক আল আনসারী (রাঃ) বলেন, এ কথা শুনে উপস্থিত সবাই বলল, আল্লাহ এবং তাঁর রসূলই এ ব্যাপারে সর্বাধিক অবগত। একজন বলল, আমরা দেখি, সে মুনাফিকদের সাথে হাসিমুখে আলাপ করে এবং তাদের (উপদেশ দানের মাধ্যমে) কল্যাণ কামনা করে বা তাদের সাথে সলাপরামর্শ করে। (এ কথা শুনে) রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ যে ব্যক্তি শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের নিমিত্তে ‘লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহ’ বলেছে অর্থাৎ- আল্লাহ ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই বলে ঘোষণা করেছে, আল্লাহ তা’আলা তাকে জাহান্নামের জন্য হারাম করেছেন।বর্ণনাকারী ইবনু শিহাব বলেন- পরে আমি বানী সালিম গোত্রের নেতৃস্থানীয় হুসাইন ইবন মুহাম্মাদ আনসারীকে মাহমুদ ইবন রাবী বর্ণিত হাদিসটি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি হাদিসটির সত্যতা স্বীকার করলেন।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৩৬৯, ইসলামীক সেন্টারঃ ১৩৮১

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন