৬/২১. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৬৫২ - শেষ রাতের কুরআন পাঠ
যে ব্যক্তি এ আশঙ্কা করে যে, সে শেষ রাত্রে (ঘুম থেকে) জাগ্রত হতে পারবে না, সে যেন রাতের প্রথম অংশেই তা আদায় করে নেয়।
শেষ রাতের কুরআন পাঠ ও বিতর সালাত
সহীহ মুসলিম : ১৬৫২
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৬৫২
وَحَدَّثَنِي سَلَمَةُ بْنُ شَبِيبٍ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَعْيَنَ، حَدَّثَنَا مَعْقِلٌ، - وَهُوَ ابْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ - عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ ﷺ يَقُولُ " أَيُّكُمْ خَافَ أَنْ لاَ يَقُومَ مِنْ آخِرِ اللَّيْلِ فَلْيُوتِرْ ثُمَّ لْيَرْقُدْ وَمَنْ وَثِقَ بِقِيَامٍ مِنَ اللَّيْلِ فَلْيُوتِرْ مِنْ آخِرِهِ فَإِنَّ قِرَاءَةَ آخِرِ اللَّيْلِ مَحْضُورَةٌ وَذَلِكَ أَفْضَلُ» .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি নবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, তোমাদের কেউ যদি শেষ রাতে জাগতে পারবে না বলে আশঙ্কা করে তাহলে বিত্র সালাত আদায় করে ঘুমাবে। আর যার শেষরাতে জাগতে পারার আত্মবিশ্বাস বা নিশ্চয়তা আছে সে শেষ রাতে বিত্র আদায় করবে। কেননা শেষ রাতের কোরআন পাঠে মালায়িকাহ্ উপস্থিত থাকে। আর এটা সর্বাপেক্ষা উত্তমও বটে।
ই.ফা. ১৬৩৭, ই.সে. ১৬৪৪
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৬৫২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আগের বর্ণনার মতোই বিতর সালাতের সময় সম্পর্কে স্পষ্ট নির্দেশ আছে। নবীজি (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, কেউ যদি শেষ রাতে জাগতে পারবে না বলে আশঙ্কা করে, সে যেন বিতর পড়ে ঘুমায়। আর যার শেষ রাতে উঠার আত্মবিশ্বাস আছে, সে শেষ রাতে বিতর পড়বে। কারণ শেষ রাতের কুরআন পাঠে ফেরেশতাগণ উপস্থিত থাকে, আর তা উত্তম। এখানে মূল বিষয় হলো শেষ রাতের কুরআন পাঠ ও বিতর সালাত। এই শিক্ষা আমাদের বাস্তব জীবনকে সহজ করে। সবাই একই শক্তি বা সুযোগ পায় না। তাই যে আগে পড়বে, তার জন্যও পথ আছে; আর যে শেষ রাতে উঠবে, তার জন্যও উত্তম সুযোগ আছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- শেষ রাতে জাগতে না পারলে ঘুমানোর আগে বিতর পড়া যায়।
- শেষ রাতে জাগার ভরসা থাকলে বিতর শেষভাগে পড়া উত্তম।
- শেষ রাতের কুরআন পাঠে ফেরেশতাগণের উপস্থিতির কথা এসেছে।
- নিজের অবস্থার সাথে মিলিয়ে ইবাদতের সময় বেছে নেওয়া যায়।
