৭/১৩. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৭৭২ - সূরা ইখলাসের অংশগত মর্যাদা
সূরাহ্ ইখলাস পাঠের ফাযীলাত (মর্যাদা)
সূরা ইখলাস কুরআনের একটি বড় অংশের মর্যাদা
সহীহ মুসলিম : ১৭৭২
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৭৭২
وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنَا أَبَانٌ الْعَطَّارُ، جَمِيعًا عَنْ قَتَادَةَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ. وَفِي حَدِيثِهِمَا مِنْ قَوْلِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ " إِنَّ اللَّهَ جَزَّأَ الْقُرْآنَ ثَلاَثَةَ أَجْزَاءٍ فَجَعَلَ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ جُزْءًا مِنْ أَجْزَاءِ الْقُرْآنِ».
ক্বাতাদাহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তাদের উভয়ের বর্ণিত হাদীসে নবী (ﷺ)-এর কথার এ অংশটুকু উল্লেখ আছে যে, তিনি বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা সমগ্র কোরআন মাজীদকে তিনটি অংশে ভাগ করেছেন আর “কুল হুওয়াল্ল-হু আহাদ” (সূরা আল ইখলাস)-কে একটি অংশ বলে নির্দিষ্ট করেছেন।
ই.ফা. ১৭৫৭, ই.সে. ১৭৬৪
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৭৭২-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় বলা হয়েছে, নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কথার অংশ হিসেবে এসেছে যে আল্লাহ তা’আলা সমগ্র কুরআন মাজিদকে তিনটি অংশে ভাগ করেছেন এবং “কুল হুয়াল্লাহু আহাদ” বা সূরা ইখলাসকে কুরআনের অংশগুলোর একটি অংশ করেছেন। এই হাদিস সূরা ইখলাসের ফজিলতকে আরও পরিষ্কার করে। আগের বর্ণনায় বলা হয়েছিল, এটি কুরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান; এখানে সেই কথার ব্যাখ্যার মতো এসেছে যে সূরাটি কুরআনের তিন অংশের একটি অংশের মর্যাদা রাখে। এই হাদিস থেকে সূরা ইখলাসের প্রতি ভালোবাসা, তিলাওয়াত এবং অর্থ বুঝে পড়ার আগ্রহ তৈরি হওয়া উচিত। তবে পুরো কুরআন শেখা ও পড়ার গুরুত্বও একইভাবে থাকে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সূরা ইখলাস কুরআনের বড় মর্যাদাসম্পন্ন সূরা।
- আল্লাহর তাওহীদের কথা থাকা সূরার মূল্য বিশেষ।
- একই বিষয় একাধিক বর্ণনায় আরও পরিষ্কারভাবে আসে।
- কুরআনের সব অংশই সম্মানের, আর সূরা ইখলাসের আলাদা ফজিলত আছে।
