৭/১৪. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৭৭৭ - মু‘আব্বিযাতাইনের অনন্য মর্যাদা
মু‘আব্বিযাতায়ন (সূরা আল ফালাক্ব ও সূরাহ্ আন্ নাস) পাঠের ফাযীলাত
মু‘আব্বিযাতাইন: সূরা ফালাক ও নাসের ফজিলত
সহীহ মুসলিম : ১৭৭৭
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৭৭৭
وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، عَنْ قَيْسٍ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ، قَالَ قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " أُنْزِلَ - أَوْ أُنْزِلَتْ - عَلَىَّ آيَاتٌ لَمْ يُرَ مِثْلُهُنَّ قَطُّ الْمُعَوِّذَتَيْنِ " .
‘উক্ববাহ্ ইবনু ‘আমির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) (একদিন) আমাকে বললেনঃ আমার প্রতি এমন কয়েকটি আয়াত অবতীর্ণ করা হয়েছে যার অনুরূপ আর কখনো দেখা যায়নি। আর সেগুলো হ’ল মু’আব্বিযাতায়ন বা সূরা আল ফালাক্ব ও সূরা আন্ না-স এর আয়াতসমূহ।
ই.ফা. ১৭৬২, ই.সে. ১৭৬৯
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৭৭৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, তাঁর ওপর এমন কয়েকটি আয়াত অবতীর্ণ করা হয়েছে যার অনুরূপ আর কখনো দেখা যায়নি। এরপর তিনি মু‘আব্বিযাতাইন অর্থাৎ সূরা আল-ফালাক ও সূরা আন-নাসের কথা বলেন। এই বর্ণনা সূরা ফালাক ও সূরা নাসের বিশেষ মর্যাদা পরিষ্কার করে। এই দুই সূরায় মানুষ আল্লাহর কাছে আশ্রয় চায়। তবে এই নির্দিষ্ট হাদিসে বিস্তারিত কারণ ব্যাখ্যা করা হয়নি; শুধু তাদের অনন্য মর্যাদা বলা হয়েছে। তাই ব্যাখ্যার ক্ষেত্রেও এতটুকুই যথেষ্ট বলা যায় যে, নবীজি (صلى الله عليه وسلم) এই আয়াতগুলোকে আলাদা মর্যাদার আয়াত হিসেবে পরিচয় করিয়েছেন। মুসলিমদের জন্য এগুলো শেখা ও পড়া গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মু‘আব্বিযাতাইন বিশেষ মর্যাদাসম্পন্ন আয়াতসমূহ।
- সূরা ফালাক ও নাস আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়ার শিক্ষা দেয়।
- নবীজি (صلى الله عليه وسلم) কুরআনের নির্দিষ্ট সূরার ফজিলত জানিয়ে দিয়েছেন।
- ছোট সূরাগুলোও গভীর অর্থ ও বড় শিক্ষা বহন করে।
