৭/১৭. অধ্যায়ঃ

ধীরস্থিরতার সাথে ক্বিরাআত পড়া, অতি দ্রুত পাঠ বর্জন করা এবং এক রাক'আতে দু' বা ততোধিক সূরা সংযোজনের বৈধতা

সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৭৯৩

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَابْنُ، نُمَيْرٍ جَمِيعًا عَنْ وَكِيعٍ، - قَالَ أَبُو بَكْرٍ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، - عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، قَالَ جَاءَ رَجُلٌ يُقَالُ لَهُ نَهِيكُ بْنُ سِنَانٍ إِلَى عَبْدِ اللَّهِ فَقَالَ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ كَيْفَ تَقْرَأُ هَذَا الْحَرْفَ أَلِفًا تَجِدُهُ أَمْ يَاءً مِنْ مَاءٍ غَيْرِ آسِنٍ أَوْ مِنْ مَاءٍ غَيْرِ يَاسِنٍ قَالَ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ وَكُلَّ الْقُرْآنِ قَدْ أَحْصَيْتَ غَيْرَ هَذَا قَالَ إِنِّي لأَقْرَأُ الْمُفَصَّلَ فِي رَكْعَةٍ ‏.‏ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ هَذًّا كَهَذِّ الشِّعْرِ إِنَّ أَقْوَامًا يَقْرَءُونَ الْقُرْآنَ لاَ يُجَاوِزُ تَرَاقِيَهُمْ وَلَكِنْ إِذَا وَقَعَ فِي الْقَلْبِ فَرَسَخَ فِيهِ نَفَعَ إِنَّ أَفْضَلَ الصَّلاَةِ الرُّكُوعُ وَالسُّجُودُ إِنِّي لأَعْلَمُ النَّظَائِرَ الَّتِي كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقْرُنُ بَيْنَهُنَّ سُورَتَيْنِ فِي كُلِّ رَكْعَةٍ ‏.‏ ثُمَّ قَامَ عَبْدُ اللَّهِ فَدَخَلَ عَلْقَمَةُ فِي إِثْرِهِ ثُمَّ خَرَجَ فَقَالَ قَدْ أَخْبَرَنِي بِهَا ‏.‏ قَالَ ابْنُ نُمَيْرٍ فِي رِوَايَتِهِ جَاءَ رَجُلٌ مِنْ بَنِي بَجِيلَةَ إِلَى عَبْدِ اللَّهِ وَلَمْ يَقُلْ نَهِيكُ بْنُ سِنَانٍ ‏.

আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ

নাহীক ইবনু সিনান নামে কথিত জনৈক ব্যক্তি আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ)-এর নিকট এসে বলেন, “হে আবদুর রহমানের পিতা! নিম্নোক্ত শব্দটি আপনি কিভাবে পড়েন, ‘আলিফ’ সহযোগে না ‘ইয়া’ সহযোগে, অর্থাৎمِنْ مَاءٍ غَيْرِ آسِنٍ অথবা مِنْ مَاءٍ غَيْرِ يَاسِنٍ বর্ণনাকারী আবূ ওয়াইল (রহঃ) বলেন, আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, “এ শব্দটি ছাড়া তুমি কি কুরআনের সবটুকু আয়ত্ত করে ফেলেছ?” সে বলল, “আমি তো মুফাসসাল (সূরাসমূহ) এক রাকাতে পড়ি।” আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, “দ্রুত গতিতে অর্থাৎ কবিতা পড়ার ন্যায় দ্রুত গতিতে? কোন কোন লোক কুরআন পড়ে কিন্তু তা তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করে না। বরং (সুষ্ঠুভাবে পড়লে) তা যখন অন্তরে প্রবেশ করে তখন তা হৃদয়ে বদ্ধমূল হয় এবং উপকারে আসে। সালাতের মধ্যে রুকু-সিজদা হল সর্বাধিক ফজিলতপূর্ণ। আমি অবশ্যই জানি যে, এই দৃষ্টান্তটি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রেখে গেছেন। তিনি প্রতি রাকাতে দুইটি সূরা মিলিয়ে পড়তেন।” অতঃপর আবদুল্লাহ (রাঃ) উঠে দাঁড়ান, আলকামা (রহঃ)-ও তার পিছনে পিছনে প্রবেশ করেন। অতঃপর তিনি বের হয়ে এসে বলেন, “আবদুল্লাহ (রাঃ) এ সম্পর্কে আমাকে অবহিত করেছেন।” ইবনু নুমাইর-এর রিওয়ায়াতে আছে: বাজিলা গোত্রের জনৈক ব্যক্তি আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর নিকট এলো। তার এ বর্ণনায় "নাহীক ইবনু সিনান" নাম উল্লেখ করেননি।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৭৭৮, ইসলামীক সেন্টারঃ ১৭৮৫

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন