৭/১৯. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৮১০ - শয়তানের দুই শিং ও সালাত
যে সকল ওয়াক্তে সলাত আদায় করা নিষেধ
শয়তানের দুই শিংয়ের সময় সালাত
সহীহ মুসলিম : ১৮১০
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৮১০
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ، نُمَيْرٍ حَدَّثَنَا أَبِي وَمُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، قَالاَ جَمِيعًا حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " لاَ تَحَرَّوْا بِصَلاَتِكُمْ طُلُوعَ الشَّمْسِ وَلاَ غُرُوبَهَا فَإِنَّهَا تَطْلُعُ بِقَرْنَىْ شَيْطَانٍ " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় তোমাদের সালাতের সংকল্প করো না। কারণ সূর্য শয়তানের দু ‘শিং –এর মাঝখান দিয়ে উদিত হয়। [৪০]
[৪০] “দু’ শিং” অর্থ হ’ল মাথার দু’ প্রান্ত। সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তকালে শয়তান তার মাথা সূর্যের নিকটবর্তী করে দেয় যাতে সূর্য ও মূর্তি পূজারী কাফিরদের সাজদাহ্গুলো শয়তানের জন্যে হয়। (মুসলিম শারহে নাবাবী-১ম খণ্ড ২৭৫ পৃষ্ঠা)ই.ফা. ১৭৯৫, ই.সে. ১৮০২
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৮১০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় সালাতের সংকল্প করতে নিষেধ করেছেন। তিনি কারণ হিসেবে বলেছেন, সূর্য শয়তানের দুই শিং-এর মাঝখান দিয়ে উদিত হয়। হাদিসের ভাষা আমাদের সতর্ক করে যে কিছু সময় এমন আছে, যেগুলো সালাতের জন্য বেছে নেওয়া উচিত নয়। এখানে মূল শিক্ষা হলো—নফল সালাতের ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ সময় এড়িয়ে চলা। সূর্যোদয়ের সময় সালাত, সূর্যাস্তের সময় সালাত এবং শয়তানের দুই শিং সম্পর্কিত এই বর্ণনা মুসলিমকে সুন্নাহ অনুযায়ী আমল করতে শেখায়। ইবাদত যতই গুরুত্বপূর্ণ হোক, নবীজি صلى الله عليه وسلم যে সময় থেকে বিরত থাকতে বলেছেন, তা সম্মানের সঙ্গে মানা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় সালাতের সংকল্প করতে নিষেধ আছে।
- হাদিসে নিষেধের কারণও সংক্ষেপে জানানো হয়েছে।
- নফল সালাতের ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ সময় এড়ানো দরকার।
- সুন্নাহ অনুসরণ মানে আমলের সময়ও নবীজি صلى الله عليه وسلم-এর নির্দেশ মানা।
