৮/৬. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৮৬৮ - জুমার দিনের সঠিক পথের দিশা
জুমু‘আর দিবসে এ উম্মাতের একটি উপঢৌকন
জুমার দিনের দিশা আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ
সহীহ মুসলিম : ১৮৬৮
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৮৬৮
حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ أَبِي زَائِدَةَ، عَنْ سَعْدِ بْنِ طَارِقٍ، حَدَّثَنِي رِبْعِيُّ بْنُ، حِرَاشٍ عَنْ حُذَيْفَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «هُدِينَا إِلَى الْجُمُعَةِ وَأَضَلَّ اللَّهُ عَنْهَا مَنْ كَانَ قَبْلَنَا» . فَذَكَرَ بِمَعْنَى حَدِيثِ ابْنِ فُضَيْلٍ .
হুযাইফাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমাদেরকে জুমু‘আর দিন সম্পর্কে সঠিক পথের সন্ধান দেয়া হয়েছে এবং আল্লাহ আমাদের পূর্ববর্তীদেরকে সঠিক পথের সন্ধান দেননি। ….. হাদীসের অবশিষ্ট বর্ণনা বর্ণনাকারী ইবনু ফুযায়ল (রহঃ)-এর বর্ণনায় অনুরূপ।
ই.ফা.১৮৫৩,ই.সে ১৮৬০
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৮৬৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জুমার দিনের মূল পরিচয় খুব সংক্ষেপে এসেছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেন, আমাদেরকে জুমার দিনের সঠিক দিশা দেওয়া হয়েছে, আর আমাদের পূর্ববর্তীদেরকে তা থেকে দূরে রাখা হয়েছে। বর্ণনাটি আগের হাদিসের অর্থের মতো হলেও এখানে মূল কথা হলো—জুমা মুসলিম উম্মতের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে পাওয়া এক বড় নিয়ামত। জুমার দিনের হাদিসগুলোতে দেখা যায়, এই দিনকে শুধু সাপ্তাহিক ছুটির দিন হিসেবে দেখা ঠিক নয়। বরং এটি সালাত, খুতবা, দোয়া, মনোযোগ ও আল্লাহর স্মরণের দিন। এই হাদিস আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, জুমার দিনের মর্যাদা বুঝে প্রস্তুত হওয়া দরকার। যে দিনকে আল্লাহ হেদায়েতের মাধ্যমে আমাদের জন্য স্পষ্ট করেছেন, সেই দিনকে অবহেলা না করে সম্মান করা মুমিনের কাজ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জুমার দিন আল্লাহর দেওয়া বিশেষ দিশার অংশ।
- জুমার মর্যাদা বোঝা মুসলিম পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত।
- জুমাকে অবহেলা নয়; ইবাদত ও মনোযোগের দিন হিসেবে নেওয়া উচিত।
- আল্লাহর দান পেলে তার শুকরিয়া আদায় করা দরকার।
