৮/১০. অধ্যায়ঃ
(জুমু‘আর) সলাতের পূর্বে দু’টি খুতবাহ্ এবং এর মাঝে জালসাহ্ (বৈঠক) প্রসঙ্গে
সহিহ মুসলিম : ১৮৮০
সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৮৮০
وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَحَسَنُ بْنُ الرَّبِيعِ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ قَالَ يَحْيَى أَخْبَرَنَا وَقَالَ الآخَرَانِ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ كَانَتْ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم خُطْبَتَانِ يَجْلِسُ بَيْنَهُمَا يَقْرَأُ الْقُرْآنَ وَيُذَكِّرُ النَّاسَ .
জাবির ইবনু সামুরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দুইটি খুতবা দিতেন, উভয় খুতবার মাঝখানে বসতেন এবং খুতবায় কুরআন পড়তেন এবং জনগণকে উপদেশ দিতেন।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৮৬৫, ইসলামীক সেন্টারঃ ১৮৭২[৪১] খুত্বাতে আল্লাহর প্রশংসা, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি দরূদ, সমবেত জনতার জন্য প্রয়োজনীয় নাসীহাত এবং দু‘আ থাকতে হবে। এতদ্ভিন্নতা খুত্বাহ্ হবে না। (মুসলিম শারহে নাবাবী, ১ম খণ্ড ২৮৪ পৃষ্ঠা)উল্লেখ্য যে, যে নাসীহাত জনগণের বোধগম্য ভাষায় হয় না তা কিছুতেই খুত্বাহ্ হবে না। আল্লাহ প্রত্যেক রসূলকে আপন জাতির ভাষার উপরই পাঠিয়েছেন যেন তাদের বর্ণনা দিয়ে বুঝাতে পারেন। (সূরাহ্ ইবরাহীম ১৪ঃ৪)
