১০/১. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৯৫৬ - ইসতিসকার দোয়া ও দুই রাকাত সালাত
পানি প্রার্থনার দু‘আয় হাত উত্তোলন প্রসঙ্গে
ইসতিসকার দোয়া, চাদর উল্টানো ও দুই রাকাত সালাত
সহীহ মুসলিম : ১৯৫৬
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৯৫৬
وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ تَمِيمٍ، عَنْ عَمِّهِ، قَالَ خَرَجَ النَّبِيُّ ﷺ إِلَى الْمُصَلَّى فَاسْتَسْقَى وَاسْتَقْبَلَ الْقِبْلَةَ وَقَلَبَ رِدَاءَهُ وَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ.
‘আব্বাদ ইবনু তামীম (রহঃ) থেকে তাঁর চাচার সূত্রে হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) সালাতের নির্ধারিত স্থানে গিয়ে ইস্তিস্ক্বার দোয়া করলেন এবং কেবলামুখী হয়ে তাঁর চাদরটা উল্টিয়ে দিলেন। অতঃপর দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করলেন।
ই.ফা. ১৯৪১, ই.সে. ১৯৪৮
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৯৫৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইসতিসকার আমল আরও স্পষ্টভাবে এসেছে। নবী (صلى الله عليه وسلم) সালাতের নির্ধারিত স্থানে গেলেন। তিনি বৃষ্টির জন্য দোয়া করলেন। এরপর কিবলামুখী হলেন, নিজের চাদর উল্টে দিলেন এবং দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন। এখানে ইসতিসকার দোয়া ও সালাত একসঙ্গে এসেছে। হাদিসটি আমাদের শেখায়, বৃষ্টি না হলে বা পানির প্রয়োজন দেখা দিলে আল্লাহর কাছে বিনয়ীভাবে চাওয়া দরকার। তবে হাদিসের ভাষা অনুযায়ী আলোচনা সীমাবদ্ধ রাখা উচিত—এখানে নির্দিষ্টভাবে দোয়া, কিবলামুখী হওয়া, চাদর উল্টানো এবং দুই রাকাত সালাতের কথা বলা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইসতিসকার সময় আল্লাহর কাছে দোয়া করা নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আমল।
- কিবলামুখী হওয়া ও চাদর উল্টানোর কথা হাদিসে এসেছে।
- এই বর্ণনায় দুই রাকাত সালাত আদায়ের কথা স্পষ্টভাবে আছে।
- প্রয়োজনে আল্লাহর কাছে ফিরে যাওয়া মুমিনের সুন্দর আচরণ।
