১৩/৪. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২১৭২ - মুসলিম সবার ফিতরা
সদাক্বাতুল ফিত্র বা ফিত্রার বর্ণনা
মুসলিম সবার পক্ষ থেকে যাকাতুল ফিতর
সহীহ মুসলিম : ২১৭২
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২১৭২
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ، أَخْبَرَنَا الضَّحَّاكُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَرَضَ زَكَاةَ الْفِطْرِ مِنْ رَمَضَانَ عَلَى كُلِّ نَفْسٍ مِنَ الْمُسْلِمِينَ حُرٍّ أَوْ عَبْدٍ أَوْ رَجُلٍ أَوِ امْرَأَةٍ صَغِيرٍ أَوْ كَبِيرٍ صَاعًا مِنْ تَمْرٍ أَوْ صَاعًا مِنْ شَعِيرٍ .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এক সা' খেজুর বা যব রমাযানের পরে সদাক্বায়ি ফিতরা ধার্য করেছেন- সে (মুসলিম ব্যক্তি) স্বাধীন হোক বা ক্রীতদাস, পুরুষ বা মহিলা, ছোট বা বড় (অর্থাৎ সকলকেই ফিতরা দিতে হবে)।
ই.ফা. ২১৫১, ই.সে. ২১৫৩
সহীহ মুসলিম হাদিস ২১৭২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে যাকাতুল ফিতরের বিধান খুব বিস্তৃতভাবে বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) রমজানের ফিতরা মুসলিমদের প্রত্যেক ব্যক্তির ওপর নির্ধারণ করেছেন। এখানে স্বাধীন বা দাস, পুরুষ বা মহিলা, ছোট বা বড়—সব শ্রেণির কথা এসেছে। পরিমাণ হিসেবে এক সা’ খেজুর বা এক সা’ যব উল্লেখ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, সদাকাতুল ফিতর শুধু একজন ব্যক্তির ব্যক্তিগত দান নয়; মুসলিম পরিবারের সদস্যদের পক্ষ থেকেও এর সম্পর্ক আছে। হাদিসটি ফিতরার পরিমাণ, ফিতরা কার ওপর, ছোটদের ফিতরা, নারীর ফিতরা—এসব প্রশ্নের সরাসরি ভিত্তি দেয়। তবে হাদিসে যা বলা হয়েছে, তার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে মূল শিক্ষা হলো: রমজানের শেষে মুসলিমদের পক্ষ থেকে নির্ধারিত ফিতরা আদায় করা নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশিত আমল।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- যাকাতুল ফিতর মুসলিমদের প্রত্যেক ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত।
- স্বাধীন, দাস, নারী, পুরুষ, ছোট ও বড়—সব শ্রেণির কথা হাদিসে এসেছে।
- ফিতরার পরিমাণ হিসেবে এক সা’ খেজুর বা যব উল্লেখ হয়েছে।
- ফিতরা রমজানের সঙ্গে যুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ দান।
