১৩/২৫. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২২৫৭ - ঘরের দানের অনুরূপ বর্ণনা
আমানাতদার কোষাধ্যক্ষ ও স্ত্রী লোকের সদাক্বায় সাওয়াব হওয়া সম্পর্কে, স্ত্রী স্বামীর প্রকাশ্য অনুমতি সাপেক্ষে অথবা প্রচলিত প্রথামত স্বামীর সম্পদ থেকে দান করলে সে তার সাওয়াব পাবে
ঘরের দান সম্পর্কে অনুরূপ হাদিস
সহীহ মুসলিম : ২২৫৭
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২২৫৭
وَحَدَّثَنَاهُ ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي وَأَبُو مُعَاوِيَةَ عَنِ الأَعْمَشِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ
আ‘মাশ (রহঃ)-এর সূত্র হতে বর্ণিতঃ
উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
ই.ফা. ২২৩৬, ই.সে.২২৩৭
সহীহ মুসলিম হাদিস ২২৫৭-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আগের হাদিসের মতো একই অর্থের কথা এসেছে। মূল বিষয় হলো, স্ত্রী যদি স্বামীর ঘর থেকে কোনো ক্ষতির উদ্দেশ্য ছাড়া দান করে, তাহলে দানের সওয়াবের দরজা খুলে যায়। স্বামী উপার্জনের কারণে সওয়াবে অংশ পায়, স্ত্রী দানের কারণে সওয়াব পায়, আর দায়িত্বে থাকা রক্ষণকারীও তার ভূমিকার কারণে সওয়াব পেতে পারে। যদিও এই বর্ণনায় বিস্তারিত শব্দ কম এসেছে, কিন্তু এটি আগের বর্ণনার অর্থকে শক্ত করে। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, ঘরের সম্পদ থেকে দান করার বিষয়টি ইসলামে দায়িত্বহীন কাজ নয়; বরং তা সততা, অনুমোদিত অভ্যাস, ভালো উদ্দেশ্য ও ক্ষতি না করার শর্তের সাথে যুক্ত। দান এমনভাবে হতে হবে, যাতে ঘরের অধিকার নষ্ট না হয় এবং প্রাপকও উপকৃত হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঘরের সম্পদ থেকে দান করার সময় ক্ষতি করা যাবে না।
- দান, উপার্জন ও রক্ষণাবেক্ষণ—প্রতিটি ভূমিকায় সওয়াবের আশা থাকে।
- অনুরূপ বর্ণনা একই শিক্ষাকে আরও দৃঢ় করে।
- দান করতে গিয়ে ঘরের অধিকার ও ভারসাম্য রক্ষা করা দরকার।
