১৩/৪৬. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৩২৮ - ধৈর্য ধারণের অঙ্গীকার
ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য মুয়াল্লিফাতে কুলুবকে দান করা এবং দৃঢ় ঈমানের অধিকারীকে না দেয়া প্রসঙ্গে
ধৈর্য ধারণের অঙ্গীকার ও আনসারদের মর্যাদা
সহীহ মুসলিম : ২৩২৮
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৩২৮
وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَخِي ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَمِّهِ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، . وَسَاقَ الْحَدِيثَ بِمِثْلِهِ . إِلاَّ أَنَّهُ قَالَ قَالَ أَنَسٌ قَالُوا نَصْبِرُ . كَرِوَايَةِ يُونُسَ عَنِ الزُّهْرِيِّ .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। তবে আনাস (রাঃ) বলেছেন যে, তাঁরা বললেন, “আমরা ধৈর্য ধারণ করব।” যেমন যুহরী ইউনুসের রিওয়ায়াতে বর্ণিত আছে।
ই.ফা. ২৩০৬, ই.সে. ২৩০৭
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৩২৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আগের বর্ণনার অনুরূপ ঘটনা এসেছে, তবে এখানে আনাস (রাঃ) বলেছেন—তারা বললেন, “আমরা ধৈর্য ধারণ করব।” এই সংক্ষিপ্ত বাক্যটির মধ্যে গভীর শিক্ষা আছে। হাওয়াযিনের সম্পদ বণ্টন নিয়ে আনসারদের মনে যে অনুভূতি জন্মেছিল, তা নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কথার পর শান্ত হয়ে যায়। তারা দুনিয়ার সম্পদের বদলে আল্লাহর রাসূলের সঙ্গ ও ভালোবাসাকে গুরুত্ব দেন। এই হাদিসের মূল বিষয় ধৈর্য, সন্তুষ্টি এবং নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর সিদ্ধান্তের প্রতি আস্থা। মানুষ যখন বাহ্যিকভাবে কম পায়, তখন অন্তরের ঈমান ও ভালোবাসা তাকে শান্ত রাখে। তাই এই বর্ণনা দুনিয়ার লাভের সামনে আত্মসংযমের শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কষ্টের মুহূর্তে ধৈর্য ধারণ করা মুমিনের সুন্দর গুণ।
- দুনিয়ার সম্পদের চেয়ে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর সঙ্গ ও ভালোবাসা বড় নিয়ামত।
- নেতার সঠিক ব্যাখ্যা মানুষের মন শান্ত করতে পারে।
- আস্থা ও সন্তুষ্টি সমাজে বিভেদ কমাতে সাহায্য করে।
