১৩/৫০. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৩৬৯ - সাদাকার সন্দেহে খেজুর না খাওয়া
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ও তাঁর বংশ পরিবারের জন্য সদাক্বাহ্ যাকাত খাওয়া হারাম, এরা হচ্ছে বনূ হাশিম ও বানী মুত্ত্বালিব; এরা ছাড়া অন্য কারো জন্য যাকাত-সদাক্বাহ্ খাওয়া হারাম নয়
সাদাকার সন্দেহে খেজুর না খাওয়ার শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ২৩৬৯
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৩৬৯
وَحَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ زَائِدَةَ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ مُصَرِّفٍ، حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ مَرَّ بِتَمْرَةٍ بِالطَّرِيقِ فَقَالَ «لَوْلاَ أَنْ تَكُونَ مِنَ الصَّدَقَةِ لأَكَلْتُهَا».
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রাস্তায় একটি খেজুর দেখতে পেলেন। তিনি বলেন, এটি যদি সদাক্বার খেজুর হওয়ার সম্ভাবনা না থাকত তাহলে আমি এটা তুলে খেয়ে নিতাম (নষ্ট হতে দিতাম না)।
ই. ফা. ২৩৪৭, ই. সে. ২৩৪৭
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৩৬৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم রাস্তার ওপর একটি খেজুর দেখলেন। তিনি বললেন, যদি এটি সাদাকার খেজুর হওয়ার সম্ভাবনা না থাকত, তাহলে তিনি তা তুলে খেয়ে নিতেন। অনুবাদে উল্লেখ আছে, তিনি তা নষ্ট হতে দিতেন না। এতে বোঝা যায়, খাবার নষ্ট করা তাঁর পছন্দনীয় ছিল না; তবে সাদাকার সম্ভাবনা থাকায় তিনি তা গ্রহণ করেননি। এই হাদিসের মূল আলোচ্য হলো সাদাকার সম্পদ, হালাল-হারাম বিষয়ে সতর্কতা এবং সন্দেহজনক বিষয় থেকে দূরে থাকা। খুব ছোট একটি ঘটনাও মুসলিম জীবনে তাকওয়ার মানদণ্ড শেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাদাকার সন্দেহ থাকলে তা গ্রহণ না করাই সতর্কতার পথ।
- খাবার নষ্ট না করার ইচ্ছা থাকলেও বিধানকে অগ্রাধিকার দিতে হয়।
- রাসূল صلى الله عليه وسلم সামান্য খেজুরের ক্ষেত্রেও সাবধানতা দেখিয়েছেন।
- হালাল উপার্জন ও হালাল খাবারের গুরুত্ব অনেক বড়।
