১৪/৯. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪৪১ - সাহরির পরিচয় নিয়ে একই সনদ
সাহরীর ফাযীলাত, সাহরী খাওয়া মুস্তাহাব, এর প্রতি গুরুত্বারোপ এবং সাহরী বিলম্বে খাওয়া ও ইফত্বার তাড়াতাড়ি করা মুস্তাহাব
সাহরি খাওয়া: সিয়ামের আলাদা বৈশিষ্ট্য
সহীহ মুসলিম : ২৪৪১
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৪৪১
وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ جَمِيعًا عَنْ وَكِيعٍ، ح وَحَدَّثَنِيهِ أَبُو الطَّاهِرِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، كِلاَهُمَا عَنْ مُوسَى بْنِ عُلَىٍّ، بِهَذَا الإِسْنَادِ.
মূসা ইবনু ‘উলাইয়্যা (রহঃ)-এর সূত্র হতে বর্ণিতঃ
এ সনদে হাদীস বর্ণিত আছে।
ই.ফা. ২৪১৮, ই.সে. ২৪১৭
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪৪১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সংক্ষিপ্তভাবে বলা হয়েছে, একই সনদে হাদিস বর্ণিত আছে। অর্থাৎ আগের বর্ণনার একই শিক্ষা এখানে পুনরায় সংরক্ষিত হয়েছে—মুসলিমদের সিয়াম ও কিতাবীদের সিয়ামের মধ্যে পার্থক্য হলো সাহরি খাওয়া। এই পুনর্বর্ণনা সাহরির গুরুত্বকে আরও দৃঢ়ভাবে তুলে ধরে। সাহরি শুধু পেট ভরার জন্য নয়; নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশনায় এটি মুসলিমদের সিয়ামের একটি আলাদা বৈশিষ্ট্য। তাই রোজাদার যদি সাহরি খেতে পারে, তবে সে এই নববী নির্দেশনার সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করে। হাদিসে বাড়তি কোনো শর্ত নেই; মূল কথা হলো সাহরি গ্রহণ করা এবং সিয়ামের সময়কে নবীজির দেখানো পথে সাজানো।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- একই সনদে বর্ণনা সাহরির গুরুত্বকে স্মরণ করায়।
- সাহরি মুসলিম সিয়ামের আলাদা বৈশিষ্ট্য।
- রোজার আগে সাহরি খাওয়া নবীজির নির্দেশনার সঙ্গে যুক্ত।
- হাদিসের মূল শিক্ষা সহজ ও সরাসরি।
