১৪/১২. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪৭০ - আয়েশা (রাঃ)-এর জবাব
কামোদ্দীপনা যাকে নাড়া দেয় না, সওমের অবস্থায় স্ত্রীকে চুমু দেয়া তার জন্য হারাম নয়
সাওমে স্পর্শ বিষয়ে আয়েশা (রাঃ)-এর কাছে প্রশ্ন
সহীহ মুসলিম : ২৪৭০
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৪৭০
وَحَدَّثَنِيهِ يَعْقُوبُ الدَّوْرَقِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، وَمَسْرُوقٍ أَنَّهُمَا دَخَلاَ عَلَى أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ يَسْأَلاَنِهَا . فَذَكَرَ نَحْوَهُ .
আসওয়াদ (রহঃ) এবং মাসরূক (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
একদা তাঁরা দু’জন এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করার জন্য ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট গমন করলেন। এরপর অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।
ই.ফা. ২৪৪৭, ই.সে. ২৪৪৬
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪৭০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, দুইজন ব্যক্তি সাওম অবস্থায় রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর আচরণ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার জন্য উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাঃ)-এর কাছে যান। এরপর অনুরূপ হাদিস বর্ণিত হয়। অর্থাৎ আগের বর্ণনার মতোই বিষয়টি ছিল—সাওম অবস্থায় রাসূল صلى الله عليه وسلم স্ত্রীদের স্পর্শ করতেন, কিন্তু তাঁর আত্মসংযম ছিল অত্যন্ত শক্তিশালী। এই বর্ণনার মূল শিক্ষা শুধু সাওমে স্পর্শ নয়; বরং জ্ঞান গ্রহণের পদ্ধতিও। সাহাবি ও তাবেঈরা অনুমান করে কথা বলতেন না, বরং যিনি বিষয়টি ভালো জানেন তাঁর কাছে যেতেন। রোজা অবস্থায় দাম্পত্য আচরণ, সাওমে আত্মসংযম এবং নববী আমল বোঝার ক্ষেত্রে এই বর্ণনা আমাদের সতর্ক করে। কোনো সংক্ষিপ্ত বর্ণনা বুঝতে কাছাকাছি বর্ণনাগুলোও দেখা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দ্বীনি বিষয়ে নিশ্চিত জ্ঞান পেতে যোগ্য ব্যক্তির কাছে প্রশ্ন করা উচিত।
- সাওমে দাম্পত্য আচরণ বোঝার ক্ষেত্রে আত্মসংযম গুরুত্বপূর্ণ।
- আয়েশা (রাঃ) নবী صلى الله عليه وسلم-এর ঘরোয়া আমল জানার বড় উৎস ছিলেন।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনা বুঝতে একই বিষয়ের অন্য বর্ণনাও সহায়ক হয়।
