১৬/১৭. অধ্যায়ঃ

সহীহ মুসলিম হাদিস ২৮৩০ - তামাত্তু হজ্জ ও কুরবানির অংশীদারি

ইহরামের প্রকারভেদ, ইফরাদ, ক্বিরান ও তামাত্তু‘ হাজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধা জায়িয, একত্রে ‘উমরাহ ও হাজ্জের ইহরাম বাঁধাও জায়িয এবং ক্বিরান হাজ্জ পালনকারী কখন ইহরাম মুক্ত হবে

তামাত্তু হজ্জে ইহরামমুক্তি ও কুরবানি

সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৮৩০

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا أَبُو الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، - رضى الله عنه - ح وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، - وَاللَّفْظُ لَهُ - أَخْبَرَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، - رضى الله عنه -قَالَ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ مُهِلِّينَ بِالْحَجِّ مَعَنَا النِّسَاءُ وَالْوِلْدَانُ فَلَمَّا قَدِمْنَا مَكَّةَ طُفْنَا بِالْبَيْتِ وَبِالصَّفَا وَالْمَرْوَةِ فَقَالَ لَنَا رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «مَنْ لَمْ يَكُنْ مَعَهُ هَدْىٌ فَلْيَحْلِلْ». قَالَ قُلْنَا أَىُّ الْحِلِّ قَالَ ‏"‏ الْحِلُّ كُلُّهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَأَتَيْنَا النِّسَاءَ وَلَبِسْنَا الثِّيَابَ وَمَسِسْنَا الطِّيبَ فَلَمَّا كَانَ يَوْمُ التَّرْوِيَةِ أَهْلَلْنَا بِالْحَجِّ وَكَفَانَا الطَّوَافُ الأَوَّلُ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ فَأَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ ﷺ أَنْ نَشْتَرِكَ فِي الإِبِلِ وَالْبَقَرِ كُلُّ سَبْعَةٍ مِنَّا فِي بَدَنَةٍ

জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে হজের ইহরাম বেঁধে রওনা হলাম। আমাদের সাথে মহিলাগণ এবং শিশুরাও ছিল। আমরা মাক্কায় পৌঁছে বায়তুল্লাহ-এর ত্বওয়াফ করলাম এবং সাফা-মারওয়ার মাঝে সা‘ঈ করলাম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের বললেন, যার সাথে কুরবানীর পশু নেই, সে যেন ইহরাম খুলে ফেলে। আমরা বললাম, কী ধরনের ইহরাম ভঙ্গ করব? তিনি বললেন, সম্পূর্ণরূপে ইহরাম ভঙ্গ কর। রাবী বলেন, অতএব আমরা আমাদের স্ত্রীদের নিকট গমন করলাম, (সাধারণ) পোশাক পরলাম এবং সুগন্ধি মাখলাম। তারবিয়ার দিন আমরা হজের ইহরাম বাঁধলাম এবং পূর্বেকার ত্বওয়াফ ও সা‘ঈ আমাদের জন্য যথেষ্ট ছিল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) প্রতিটি কুরবানীর গরু এবং উটে সাতজন করে শারীক হবার জন্য আমাদের নির্দেশ দিলেন।

ই.ফা. ২৮০৭, ই.সে. ২৮০৫

সহীহ মুসলিম হাদিস ২৮৩০-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে সাহাবীদের হজ্জের একটি পরিষ্কার ধারা এসেছে। তারা নবী صلى الله عليه وسلم-এর সঙ্গে হজ্জের ইহরাম বেঁধে মক্কায় পৌঁছান। সঙ্গে নারী ও শিশুরাও ছিল। মক্কায় পৌঁছে তারা বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করেন এবং সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ করেন। এরপর নবী صلى الله عليه وسلم বলেন, যার সাথে কুরবানির পশু নেই, সে যেন ইহরাম খুলে ফেলে। সাহাবীরা জিজ্ঞেস করেন, কী ধরনের ইহরাম ভঙ্গ হবে? তিনি বলেন, সম্পূর্ণরূপে। এরপর তারা সাধারণ পোশাক পরেন, সুগন্ধি ব্যবহার করেন এবং স্বাভাবিক দাম্পত্য জীবনে ফিরে যান। তারবিয়ার দিনে তারা আবার হজ্জের ইহরাম বাঁধেন। এই হাদিসে আরও আছে, সাতজন একটি উট বা গরুতে শরিক হতে পারে। তাই এটি তামাত্তু হজ্জ, তাওয়াফ-সাঈ এবং কুরবানির অংশীদারি বুঝতে গুরুত্বপূর্ণ।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • হজ্জের আমল নবী صلى الله عليه وسلم-এর নির্দেশ অনুযায়ী করলে বিভ্রান্তি কমে।
  • কুরবানির পশু না থাকলে ইহরামমুক্তির নির্দেশ এই বর্ণনায় এসেছে।
  • তারবিয়ার দিনে পুনরায় হজ্জের ইহরাম বাঁধার কথা বলা হয়েছে।
  • একটি উট বা গরুতে সাতজন শরিক হওয়ার বিধান এসেছে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন