১৬/২২. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৮৫০ - নবীর মতো ইহরাম ও তামাত্তু হজ
ইহরাম থেকে হালাল হওয়া রহিতকরণ এবং তা পূর্ণ করার নির্দেশ প্রসঙ্গে
নবীর মতো ইহরাম বাঁধা ও হজের আমল
সহীহ মুসলিম : ২৮৫০
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৮৫০
وَحَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، قَالاَ أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو عُمَيْسٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ طَارِقِ بْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي مُوسَى، - رضى الله عنه - قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ بَعَثَنِي إِلَى الْيَمَنِ قَالَ فَوَافَقْتُهُ فِي الْعَامِ الَّذِي حَجَّ فِيهِ فَقَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «يَا أَبَا مُوسَى كَيْفَ قُلْتَ حِينَ أَحْرَمْتَ». قَالَ قُلْتُ لَبَّيْكَ إِهْلاَلاً كَإِهْلاَلِ النَّبِيِّ ﷺ . فَقَالَ «هَلْ سُقْتَ هَدْيًا». فَقُلْتُ لاَ . قَالَ «فَانْطَلِقْ فَطُفْ بِالْبَيْتِ وَبَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ . ثُمَّ أَحِلَّ " . ثُمَّ سَاقَ الْحَدِيثَ بِمِثْلِ حَدِيثِ شُعْبَةَ وَسُفْيَانَ .
আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে ইয়ামানে প্রেরণ করেছিলেন। তিনি যে বছর হজ্জ করেছিলেন, আমি সে বছর (হজ্জ) এসে তাঁর সঙ্গে মিলিত হলাম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বললেন, হে আবূ মূসা! ইহরাম বাঁধার সময় তুমি কী নিয়্যাত করেছিলে? আমি বললাম, লাব্বায়কা! আমার ইহরাম নবী (ﷺ)- এর ইহরামের অনুরূপ। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি সাথে করে কুরবানীর পশু এনেছ? আমি বললাম, না। তিনি বললেনঃ তাহলে যাও, বায়তুল্লাহ-এর তাওয়াফ কর, সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ কর, অতঃপর ইহরাম খুলে ফেল।... হাদীসের অবশিষ্ট বর্ণনা পূর্বোক্ত শু’বাহ্ ও সুফ্ইয়ানের হাদীস দু’টির অনুরূপ।
ই. ফা. ২৮২৬, ই.সে. ২৮২৫
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৮৫০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবু মূসা (রাঃ)-এর ইয়ামান থেকে এসে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর সঙ্গে হজে মিলিত হওয়ার ঘটনা এসেছে। নবী (صلى الله عليه وسلم) তাকে জিজ্ঞেস করেন, ইহরাম বাঁধার সময় তিনি কী নিয়ত করেছেন। তিনি বলেন, নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর ইহরামের মতো ইহরাম করেছেন। এরপর নবী (صلى الله عليه وسلم) জানতে চান, তিনি কুরবানির পশু এনেছেন কি না। তিনি না বললে তাকে বায়তুল্লাহর তাওয়াফ, সাফা-মারওয়ার সাঈ এবং তারপর ইহরাম খোলার নির্দেশ দেওয়া হয়। হাদিসটি হজের নিয়ত, তামাত্তু হজ এবং ইহরাম খোলার নিয়মকে সহজভাবে বোঝায়। একই সঙ্গে বোঝায়, ইহরামের ধরন জানার আগে আমল ঠিকভাবে সাজানো যায় না।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইহরাম বাঁধার সময় নিয়ত জানা গুরুত্বপূর্ণ।
- কুরবানির পশু না থাকলে তাওয়াফ ও সাঈ শেষে ইহরাম খোলার নির্দেশ এসেছে।
- হজের আমলে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশ অনুসরণ করা মূল ভিত্তি।
- সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর থেকেও হজের বড় বিধান জানা যায়।
