১৬/২৩. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৮৫৪ - হজ ও উমরার একত্র ইহরাম
তামাত্তু‘ হাজ্জের বৈধতা
হজ ও উমরা একত্রে ইহরাম বাঁধার শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ২৮৫৪
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৮৫৪
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَمُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، قَالَ اجْتَمَعَ عَلِيٌّ وَعُثْمَانُ - رضى الله عنهما - بِعُسْفَانَ فَكَانَ عُثْمَانُ يَنْهَى عَنِ الْمُتْعَةِ أَوِ الْعُمْرَةِ فَقَالَ عَلِيٌّ مَا تُرِيدُ إِلَى أَمْرٍ فَعَلَهُ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ تَنْهَى عَنْهُ فَقَالَ عُثْمَانُ دَعْنَا مِنْكَ . فَقَالَ إِنِّي لاَ أَسْتَطِيعُ أَنْ أَدَعَكَ فَلَمَّا أَنْ رَأَى عَلِيٌّ ذَلِكَ أَهَلَّ بِهِمَا جَمِيعًا .
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
‘আলী (রাঃ) ও ‘উসমান (রাঃ) ‘উসফান’ নামক স্থানে একত্রে হলেন। ‘উসমান (রাঃ) তামাত্তু’ ও ‘উমরাহ্ করতে নিষেধ করতেন। ‘আলী (রাঃ) বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যে কাজ করেছেন, আপনি তা নিষেধ করেছেন- এতে আপনার উদ্দেশ্য কী? ‘উসমান (রাঃ) বললেন, আপনি আমাকে আপনার কথা থেকে রেহাই দিন। ‘আলী (রাঃ) বললেন, আমি আপনাকে ছাড়তে পারি না। ‘আলী (রাঃ) যখন এ অবস্থা দেখলেন, তিনি একত্রে হজ্জ ও ‘উমরাহ্ উভয়ের ইহরাম বাঁধলেন।
ই. ফা. ২৮৩০, ই.সে. ২৮২৯
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৮৫৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আলী (রাঃ) ও উসমান (রাঃ)-এর ‘উসফান’ স্থানে দেখা হওয়ার ঘটনা এসেছে। উসমান (রাঃ) তামাত্তু বা উমরা করতে নিষেধ করতেন। আলী (রাঃ) প্রশ্ন করেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) যে কাজ করেছেন, তা নিষেধ করার উদ্দেশ্য কী? উসমান (রাঃ) তাকে কথা না বাড়াতে বলেন। আলী (রাঃ) বলেন, তিনি এ বিষয়ে চুপ থাকতে পারেন না। এরপর আলী (রাঃ) হজ ও উমরা উভয়ের ইহরাম বাঁধেন। এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আমলের প্রতি আলী (রাঃ)-এর দৃঢ়তা দেখা যায়। একই সঙ্গে বোঝা যায়, হজ-উমরা একত্রে করার বিষয়টি সাহাবীদের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর করা আমলকে দলিল হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
- হজ ও উমরা একত্রে ইহরাম বাঁধার বিষয়টি সাহাবীদের আলোচনায় এসেছে।
- দ্বিমত হলেও আলী (রাঃ) নিজের অবস্থান আমলের মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন।
- ধর্মীয় বিষয়ে দলিলভিত্তিক আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ।
