১৭/১৬. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৪১২ - সায়িমের দাওয়াতের আদব
দা‘ওয়াতে সাড়া দেয়ার নির্দেশ
সায়িম ও অ-সায়িম ব্যক্তির দাওয়াতের আদব
সহীহ মুসলিম : ৩৪১২
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৪১২
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، عَنْ هِشَامٍ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «إِذَا دُعِيَ أَحَدُكُمْ فَلْيُجِبْ فَإِنْ كَانَ صَائِمًا فَلْيُصَلِّ وَإِنْ كَانَ مُفْطِرًا فَلْيَطْعَمْ»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যখন তোমাদের কাউকে দাওয়াত দেয়া হয় সে যেন তাতে সাড়া দেয়। যদি সে সায়িম হয় তাহলে সে (ওখানে গিয়ে) দোয়া- সালাত রত থাকবে। আর যদি সায়িম না হয় তাহলে সে আহার করবে।
ই.ফা. ৩৩৮৫, ই.সে. ৩৩৮৪
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৪১২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে দাওয়াতে সাড়া দেওয়ার সাথে সায়িম ব্যক্তির করণীয়ও এসেছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, কাউকে দাওয়াত দেওয়া হলে সে যেন সাড়া দেয়। যদি সে সায়িম হয়, তাহলে সেখানে গিয়ে দোয়া-সালাতে থাকবে। আর যদি সায়িম না হয়, তাহলে আহার করবে। এতে খুব সুন্দর ভারসাম্য আছে। রোজা রাখার কারণে দাওয়াত পুরোপুরি এড়িয়ে যাওয়া জরুরি নয়; আবার দাওয়াতে যাওয়ার কারণে রোজা ভাঙার কথাও এখানে বলা হয়নি। বরং সায়িম ব্যক্তি উপস্থিত হয়ে দাওয়াতদাতার জন্য দোয়া করতে পারে। অ-সায়িম ব্যক্তি খেতে পারে। এই হাদিস সিয়াম, দাওয়াত, দোয়া এবং সামাজিক সৌজন্যের সহজ শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সায়িম ব্যক্তিও দাওয়াতে সাড়া দিতে পারে।
- রোজা থাকলে দোয়া-সালাতে থাকা সুন্দর আচরণ।
- সায়িম না হলে দাওয়াতে আহার করা যেতে পারে।
