১৭/১৬. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৪১৫ - নিকৃষ্ট ওয়ালীমার শিক্ষা
দা‘ওয়াতে সাড়া দেয়ার নির্দেশ
নিকৃষ্ট ওয়ালীমা সম্পর্কে সতর্ক শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ৩৪১৫
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৪১৫
وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، وَعَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ شَرُّ الطَّعَامِ طَعَامُ الْوَلِيمَةِ. نَحْوَ حَدِيثِ مَالِكٍ.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নিকৃষ্ট খাদ্য হলো ওয়ালীমার খাদ্য। মালিক (রহঃ) এর হাদীসের অনুরূপ।
ই.ফা. ৩৩৮৮, ই.সে. ৩৩৮৭
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৪১৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সংক্ষেপে বলা হয়েছে, নিকৃষ্ট খাদ্য হলো ওয়ালীমার খাদ্য; এবং তা মালিকের হাদিসের অনুরূপ। আগের বর্ণনার আলোকে বিষয়টি হলো, যে ওয়ালীমায় গরীবদের বাদ দিয়ে ধনীদের ডাকা হয়, সেই আচরণ নিন্দিত। তাই এখানে খাবারের ধরন নয়, দাওয়াতের ধরনই মূল বিষয়। ইসলামে আনন্দের অনুষ্ঠানেও মানুষের সম্মান ও ন্যায়বোধ রাখা জরুরি। ওয়ালীমা যদি শুধু দেখানো বা নির্দিষ্ট শ্রেণির মানুষের জন্য হয়ে যায়, তাহলে তা হাদিসের সতর্কতার মধ্যে পড়ে। এই বর্ণনা ওয়ালীমার আদব, গরীবদের প্রতি দৃষ্টি এবং দাওয়াতের ভারসাম্য শেখায়। দাওয়াত দেওয়ার সময় মানুষের মর্যাদা, প্রয়োজন এবং সম্পর্ককে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ওয়ালীমায় বৈষম্য করা নিন্দিত আচরণ।
- খাবারের চেয়ে দাওয়াতের ন্যায়সঙ্গত আচরণ বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
- গরীবদের বাদ দিয়ে শুধু ধনীদের ডাকা ঠিক নয়।
