১৮/২. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৪৬৮ - আবু কু‘আইসের ভাই ও দুধচাচা
দুধমায়ের স্বামীর সাথে হারাম সাব্যস্ত হওয়া
আবু কু‘আইসের ভাই: দুধ সম্পর্কের মাহরাম শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ৩৪৬৮
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৪৬৮
وَحَدَّثَنِي أَبُو الرَّبِيعِ الزَّهْرَانِيُّ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، - يَعْنِي ابْنَ زَيْدٍ - حَدَّثَنَا هِشَامٌ، بِهَذَا الإِسْنَادِ أَنَّ أَخَا أَبِي الْقُعَيْسِ، اسْتَأْذَنَ عَلَيْهَا. فَذَكَرَ نَحْوَهُ.
হিশাম (রহঃ) এ সানাদ হতে বর্ণিতঃ
আবুল কু‘আয়স-এর ভাই ‘আয়িশা (রাঃ)-এর কাছে প্রবেশের অনুমতি চাইলেন- এরপর উক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
ই.ফা. ৩৪৪১, ই.সে. ৩৪৪০
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৪৬৮-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনাটি আগের হাদিসের অনুরূপ। এখানে আবু কু‘আইসের ভাই আয়েশা (রাঃ)-এর কাছে প্রবেশের অনুমতি চান। মূল কথাটি হলো, দুধ সম্পর্কের কারণে যে আত্মীয়তা তৈরি হয়, সেটি শুধু নামে সম্পর্ক নয়; বরং পর্দা ও সাক্ষাতের বিধানের সঙ্গে যুক্ত। হাদিসটি সংক্ষিপ্ত হলেও এর শিক্ষা পরিষ্কার। একজন নারী যদি দুধ সম্পর্কের কোনো আত্মীয়ের বিষয়ে নিশ্চিত না হন, তবে যাচাই করা ভালো। আয়েশা (রাঃ)-এর সতর্কতা থেকে আমরা বুঝি, পর্দার ব্যাপারে অবহেলা নয়, বরং জেনে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। একই সঙ্গে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশ থেকে বোঝা যায়, দুধচাচা মাহরাম হিসেবে গণ্য হন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দুধ সম্পর্কের বিষয়টি হালকা করে দেখার নয়।
- পর্দার বিধান বুঝতে হলে সম্পর্কের ধরন জানা দরকার।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনাতেও গুরুত্বপূর্ণ ফিকহি শিক্ষা থাকতে পারে।
- সন্দেহ হলে অনুমতি দেওয়ার আগে যাচাই করা ভালো।
