১৮/২. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৪৬৯ - আবুল কু‘আয়স ও দুধ সম্পর্ক
দুধমায়ের স্বামীর সাথে হারাম সাব্যস্ত হওয়া
আবুল কু‘আয়সের ঘটনা ও দুধ আত্মীয়তার বিধান
সহীহ মুসলিম : ৩৪৬৯
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৪৬৯
وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنْ هِشَامٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ اسْتَأْذَنَ عَلَيْهَا أَبُو الْقُعَيْسِ
হিশাম (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
এ সনদে অনুরূপ। অবশ্য তিনি বলেছেন, ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট প্রবেশের অনুমতি চেয়েছিলেন আবুল কু‘আয়স।
ই.ফা. ৩৪৪২, ই.সে.৩৪৪১
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৪৬৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আগের ঘটনারই আরেকটি বর্ণনা এসেছে। এখানে বলা হয়েছে, আয়েশা (রাঃ)-এর কাছে প্রবেশের অনুমতি চেয়েছিলেন আবুল কু‘আয়স। বর্ণনার শব্দে সামান্য ভিন্নতা থাকলেও মূল শিক্ষা একই। দুধ সম্পর্কের কারণে কিছু মানুষ মাহরাম হয়ে যায় এবং তাদের সঙ্গে সাক্ষাতের বিধান রক্ত সম্পর্কের মতো বিবেচিত হয়। এই হাদিস আমাদের শেখায়, ইসলামে সম্পর্কের বিধান শুধু জন্মসূত্রে নয়, দুধপানের মাধ্যমেও তৈরি হতে পারে। তবে এ বিষয়ে নিজের অনুমান যথেষ্ট নয়; রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশই মানদণ্ড। তাই দুধ সম্পর্কের মাহরাম, দুধচাচার বিধান ও পর্দার নিয়ম বুঝতে এই বর্ণনা গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- একই ঘটনার ভিন্ন বর্ণনা মূল বিধানকে আরও স্পষ্ট করে।
- দুধ সম্পর্কের মাহরাম বিধান বাস্তব জীবনের পর্দার সঙ্গে যুক্ত।
- সম্পর্কের ক্ষেত্রে অনুমান নয়, প্রমাণভিত্তিক সিদ্ধান্ত দরকার।
- দুধচাচার মতো সম্পর্কও শরীয়তে বিবেচিত হয়।
