২১/৪. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৬৮৩ - মুনিবের অনুমতি ছাড়া মাওলা
মুক্তদাসের জন্য তার মুক্তিদাতা ব্যতীত অন্য কাউকে ওয়ালার মালিক বানানো হারাম
মুনিবের অনুমতি ছাড়া মাওলা বানানোর শাস্তি
সহীহ মুসলিম : ৩৬৮৩
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৬৮৩
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ، - يَعْنِي ابْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْقَارِيَّ - عَنْ سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ «مَنْ تَوَلَّى قَوْمًا بِغَيْرِ إِذْنِ مَوَالِيهِ فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ وَالْمَلاَئِكَةِ لاَ يُقْبَلُ مِنْهُ عَدْلٌ وَلاَ صَرْفٌ» .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি (ক্রীতদাস) তার মুনিবের অনুমতি ছাড়া অন্য কাউকে মনিব বানাবে তার উপর আল্লাহর লা’নাত এবং তাঁর ফেরেশ্তাদেরও লা’নাত। তার ফরজ কিংবা নফল কিছুই (আল্লাহর কাছে) কবুল হবে না।
ই.ফা. ৩৬৪৯, ই.সে. ৩৬৪৯
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৬৮৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেন, যে ব্যক্তি তার মুনিবদের অনুমতি ছাড়া অন্য কাউকে মাওলা বানায়, তার ওপর আল্লাহর লা‘নত এবং ফেরেশতাদের লা‘নত। আরও বলা হয়েছে, তার ফরজ কিংবা নফল কিছুই কবুল হবে না। এই হাদিসের ভাষা খুব কঠোর। তাই ‘মুনিবের অনুমতি ছাড়া মাওলা’—এটি একটি গুরুতর নিষেধ। এখানে মূল শিক্ষা হলো, যে সম্পর্ক শরীয়ত ও অধিকার দ্বারা স্থির, তা নিজের ইচ্ছায় বদলে নেওয়া যায় না। মাওলা সম্পর্ক কোনো সাধারণ পরিচয় নয়; এর সঙ্গে অধিকার, দায়িত্ব ও সামাজিক স্বীকৃতি জড়িত। তাই অনুমতি ছাড়া অন্যের সঙ্গে এমন সম্পর্ক স্থাপন করা থেকে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুনিবের অনুমতি ছাড়া অন্যকে মাওলা বানানো গুরুতর অপরাধ হিসেবে এসেছে।
- এ কাজের জন্য হাদিসে আল্লাহ ও ফেরেশতাদের লা‘নতের কথা বলা হয়েছে।
- ফরজ ও নফল আমল কবুল না হওয়ার সতর্কতা এসেছে।
- সম্পর্ক ও অধিকার বদলাতে শরীয়তের সীমা মানতে হয়।
