২২/১০. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৭৪৫ - ক্রেতা-বিক্রেতার ইখতিয়ার
ক্রেতা ও বিক্রেতার জন্যে খিয়ারে মাজলিস (ক্রয়-বিক্রয় ভঙ্গে ইচ্ছা-স্বাধীনতা) থাকবে
ক্রেতা-বিক্রেতার ইখতিয়ার ও ন্যায্য লেনদেন
সহীহ মুসলিম : ৩৭৪৫
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৭৪৫
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ " الْبَيِّعَانِ كُلُّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا بِالْخِيَارِ عَلَى صَاحِبِهِ مَا لَمْ يَتَفَرَّقَا إِلاَّ بَيْعَ الْخِيَارِ».
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ ক্রেতা ও বিক্রেতার একজনের অপরের উপর (ক্রয়-বিক্রয় ভঙ্গ করার) ইচ্ছা-স্বাধীনতা থাকবে, যতক্ষণ তারা একে অপর থেকে আলাদা না হয়। তবে ইখতিয়ারের শর্তে ক্রয়-বিক্রয় হয়ে থাকলে তা ভিন্ন কথা।
ই.ফা.৩৭১০, ই.সে. ৩৭১০
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৭৪৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ক্রেতা ও বিক্রেতার ইখতিয়ার বা পছন্দের অধিকার নিয়ে কথা বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, ক্রেতা ও বিক্রেতার প্রত্যেকে অপরের ওপর ক্রয়-বিক্রয় ভঙ্গ করার ইচ্ছা-স্বাধীনতা রাখে, যতক্ষণ তারা একে অপর থেকে আলাদা না হয়। তবে যদি ইখতিয়ারের শর্তে বেচাকেনা হয়ে থাকে, সেটি আলাদা বিষয়। এই শিক্ষা লেনদেনে তাড়াহুড়া কমায় এবং উভয় পক্ষকে ভাবার সুযোগ দেয়। বাজারে অনেক সময় কথা বলার পর কারও মনে সন্দেহ বা অনুশোচনা আসতে পারে। এই হাদিস দেখায়, ইসলামি ক্রয়-বিক্রয়ে শুধু চুক্তি নয়, মানুষের স্বস্তি ও ন্যায্য সুযোগও বিবেচনা করা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ক্রেতা ও বিক্রেতা আলাদা হওয়ার আগে বেচাকেনা ভাঙার সুযোগ পায়।
- ইখতিয়ারের শর্ত থাকলে তার আলাদা বিধান আছে।
- লেনদেনে উভয় পক্ষের স্বস্তি ও সিদ্ধান্তের সুযোগ রাখা হয়েছে।
- ইসলামি ব্যবসায় ন্যায্যতা শুধু দামে নয়, প্রক্রিয়াতেও গুরুত্বপূর্ণ।
