২২/১৭. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৮০৮ - জমি বর্গা দেওয়ার নিষেধাজ্ঞা
জমি বর্গা [১৪] দেয়া
জমি বর্গা দেওয়ার নববী নিষেধ
সহীহ মুসলিম : ৩৮০৮
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৮০৮
وَحَدَّثَنِي أَبُو كَامِلٍ الْجَحْدَرِيُّ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، - يَعْنِي ابْنَ زَيْدٍ - عَنْ مَطَرٍ الْوَرَّاقِ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ نَهَى عَنْ كِرَاءِ الأَرْضِ .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জমি বর্গা দিতে নিষেধ করেছেন।
ই.ফা. ৩৭৭২, ই.সে. ৩৭৭২
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৮০৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এর শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) জমি বর্গা দিতে নিষেধ করেছেন। হাদিসের ভাষা সরাসরি, তাই ব্যাখ্যাতেও মূল কথার বাইরে যাওয়া ঠিক নয়। এখানে কৃষিজমি নিয়ে এমন চুক্তির দিকে ইশারা আছে, যেখানে জমির মালিক ও চাষির মধ্যে ফসল বা লাভের ভাগ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে। ইসলাম লেনদেনকে পরিষ্কার, ন্যায্য এবং বিরোধমুক্ত রাখতে চায়। তাই ‘জমি বর্গা দেওয়ার হাদিস’ ও ‘কৃষি চুক্তির ইসলামি বিধান’ খুঁজলে এই হাদিস খুবই প্রাসঙ্গিক। এটি আমাদের শেখায়, জমি-সংক্রান্ত লেনদেনেও নবীজির নির্দেশনা মানা দরকার এবং অস্পষ্ট চুক্তি থেকে দূরে থাকা নিরাপদ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জমি বর্গা দেওয়ার বিষয়ে হাদিসে সরাসরি নিষেধ এসেছে।
- কৃষি চুক্তি অস্পষ্ট হলে বিরোধের আশঙ্কা থাকে।
- মুসলিমের লেনদেনে ন্যায্যতা ও স্বচ্ছতা থাকা উচিত।
- জমির মালিকানা থাকলেও শরিয়তের সীমা মানতে হয়।
