২৩/৪. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৮৭৭ - ঋণ তাগাদায় ন্যায্য সমাধানের অনুরূপ বর্ণনা
ঋণের কিছু অংশ ছেড়ে দেয়া মুস্তাহাব
ঋণ তাগাদায় ছাড় ও দায়িত্বের অনুরূপ শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ৩৮৭৭
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৮৭৭
وَحَدَّثَنَاهُ إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، أَخْبَرَنَا يُونُسُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ،لا عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ كَعْبَ بْنَ مَالِكٍ، أَخْبَرَهُ أَنَّهُ، تَقَاضَى دَيْنًا لَهُ عَلَى ابْنِ أَبِي حَدْرَدٍ بِمِثْلِ حَدِيثِ ابْنِ وَهْبٍ.
কা‘ব ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি একদিন ইবনু আবূ হাদরাদের নিকটে তাঁর প্রাপ্য ঋণের তাগাদা করেন। এরপর তিনি ইবনু ওয়াহ্বের বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন।
ই. ফা. ৩৮৪১, ই. সে. ৩৮৪০
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৮৭৭-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় বলা হয়েছে, কা‘ব (রাঃ) আলী ইবনু আবু হাদরাদের কাছে তাঁর প্রাপ্য ঋণের তাগাদা করেন এবং এরপর ইবনু ওয়াহবের বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা আসে। অর্থাৎ মূল শিক্ষা আগের হাদিসের সঙ্গে মিল আছে। সেখানে পাওনাদার কা‘ব (রাঃ)-কে ঋণের অর্ধেক ছাড় দিতে বলা হয়, আর ঋণীকে বাকি অংশ পরিশোধ করতে বলা হয়। এই হাদিসে ঋণ তাগাদা, বিবাদে শব্দ উঁচু হয়ে যাওয়া এবং রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর ন্যায্য সমাধান—এসব বিষয় বোঝা যায়। ইসলামে ঋণ আদায় অস্বীকার করা হয়নি, আবার ঋণগ্রস্তের ওপর কঠোর চাপও উৎসাহিত করা হয়নি। বরং মধ্যপন্থা হলো, সম্ভব হলে ছাড় দেওয়া এবং যা বাকি থাকে তা দায়িত্ব নিয়ে পরিশোধ করা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঋণ তাগাদা ন্যায্য হতে পারে, তবে আচরণে ভারসাম্য থাকা দরকার।
- পাওনাদার চাইলে ঋণের কিছু অংশ ছাড় দিতে পারে।
- ঋণী ব্যক্তির বাকি দায় পরিশোধের দায়িত্ব থাকে।
- বিবাদ হলে শান্ত ও ন্যায়ভিত্তিক সমাধান খোঁজা উচিত।
