২৩/৫. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৮৮০ - দেউলিয়া ব্যক্তির মাল বিষয়ে অনুরূপ বর্ণনা
বিক্রিত মাল দেউলিয়া ঘোষিত ক্রেতার নিকট পাওয়া গেলে বিক্রেতা তা ফেরত নিতে পারে
দেউলিয়া ব্যক্তির কাছে মাল পাওয়া নিয়ে একই অর্থের বর্ণনা
সহীহ মুসলিম : ৩৮৮০
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৮৮০
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا هُشَيْمٌ، ح وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، جَمِيعًا عَنِ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو الرَّبِيعِ، وَيَحْيَى بْنُ حَبِيبٍ الْحَارِثِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، - يَعْنِي ابْنَ زَيْدٍ - ح وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، وَيَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، وَحَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، كُلُّ هَؤُلاَءِ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، فِي هَذَا الإِسْنَادِ. بِمَعْنَى حَدِيثِ زُهَيْرٍ وَقَالَ ابْنُ رُمْحٍ مِنْ بَيْنِهِمْ فِي رِوَايَتِهِ أَيُّمَا امْرِئٍ فُلِّسَ .
ইয়াহ্ইয়া ইবনু ইয়াহ্ইয়া, কুতাইবাহ্ ইবনু সা‘ঈদ ও মুহাম্মাদ ইবনু রুম্হ আবূ রাবী’ ও ইয়াহ্ইয়া ইবনু হাবীব..... আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্..... ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
ভিন্ন ভিন্ন সূত্রে যুহাইর বর্ণিত হাদীসের অর্থ মিলে বর্ণনা করেন। আর তাঁদের মধ্যে কেবল ইবনু রুম্হ (রহঃ) তাঁর বর্ণনায় বলেছেন- কোন ব্যক্তি দেউলিয়া সাব্যস্ত হলে।
ই. ফা. ৩৮৪৩, ই. সে. ৩৮৪২
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৮৮০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ভিন্ন ভিন্ন সূত্রে আগের হাদিসের অর্থের সঙ্গে মিল রেখে বর্ণনা করা হয়েছে। মূল কথা হলো, কোনো ব্যক্তি দেউলিয়া হলে এবং কেউ তার নিজের মাল অবিকলভাবে তার কাছে পায়, তাহলে সে ব্যক্তি সেই মাল পাওয়ার ক্ষেত্রে বেশি হকদার। এখানে ইবনু রুম (রহঃ)-এর বর্ণনায় বিশেষভাবে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি দেউলিয়া সাব্যস্ত হলে। এই সংক্ষিপ্ত বর্ণনা একই বিধানকে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরে। দেউলিয়া বিধানে সব পাওনাদারের দাবি এক রকম নাও হতে পারে; কারণ কেউ যদি নিজের নির্দিষ্ট মাল অক্ষত অবস্থায় পায়, তার দাবি আলাদা। তাই এই হাদিসে লেনদেনে মালিকানা, পাওনাদারের অগ্রাধিকার এবং দেউলিয়া ঘোষণার পর ন্যায্য ব্যবস্থা নেওয়ার শিক্ষা আছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- একই অর্থের বহু সূত্র দেউলিয়া বিধানের গুরুত্ব বোঝায়।
- দেউলিয়া সাব্যস্ত হওয়ার পরও নির্দিষ্ট মালিকের অধিকার বিবেচিত হয়।
- নিজের মাল অবিকল পাওয়া গেলে তার দাবি আলাদা গুরুত্ব পায়।
- লেনদেনে ন্যায্য অগ্রাধিকার ঠিক করা জরুরি।
