২৩/৭. অধ্যায়ঃ

সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৮৯৪ - সামর্থ্যবান ব্যক্তির ঋণ গড়িমসি

সক্ষম ব্যাক্তির ঋণ আদায়ে গড়িমসি করা হারাম, ঋণ পরিশোধের দায়িত্ব অন্যের উপর দেয়া বৈধ এবং তা গ্রহণ করা মুস্তাহাব

সক্ষম ব্যক্তির ঋণ আদায়ে গড়িমসি

সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৮৯৪

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، . أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ «مَطْلُ الْغَنِيِّ ظُلْمٌ وَإِذَا أُتْبِعَ أَحَدُكُمْ عَلَى مَلِيءٍ فَلْيَتْبَعْ».

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ সক্ষম ব্যক্তির ঋণ আদায়ে গড়িমসি করা অত্যাচারের শামিল। তোমাদের কারো প্রতি ঋণ পরিশোধের দায়িত্ব দিলে সে যেন তা গ্রহণ করে।

ই. ফা. ৩৮৫৬,ই. সে. ৩৮৫৬

সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৮৯৪-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে ঋণ-লেনদেনের আরেকটি দিক এসেছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, সক্ষম ব্যক্তির ঋণ আদায়ে গড়িমসি করা অত্যাচারের শামিল। অর্থাৎ যে ব্যক্তি দিতে পারে, তার জন্য অকারণে দেরি করা ঠিক নয়। আগের হাদিসগুলোতে অভাবী ঋণগ্রস্তকে ছাড় দেওয়ার শিক্ষা ছিল। কিন্তু এখানে বলা হচ্ছে, সামর্থ্যবান ব্যক্তি যেন পাওনাদারকে কষ্ট না দেয়। হাদিসের দ্বিতীয় অংশে বলা হয়েছে, কারো প্রতি ঋণ পরিশোধের দায়িত্ব দেওয়া হলে সে যেন তা গ্রহণ করে। এই কথা লেনদেনে শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ এবং ন্যায্য আচরণের শিক্ষা দেয়। ইসলামে ঋণ শুধু টাকা-পয়সার বিষয় নয়; এতে মানুষের অধিকার জড়িত। তাই সামর্থ্য থাকলে ঋণ শোধ করা এবং অন্যের হক আটকে না রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • সামর্থ্য থাকলে ঋণ আদায়ে দেরি করা অন্যায় আচরণ।
  • পাওনাদারের অধিকার অকারণে আটকে রাখা উচিত নয়।
  • ঋণ পরিশোধের দায়িত্ব দেওয়া হলে তা গ্রহণ করার নির্দেশ এসেছে।
  • লেনদেনে দয়া যেমন দরকার, তেমনি দায়িত্ববোধও দরকার।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন