২৩/৭. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৮৯৫ - ঋণ পরিশোধে দেরি না করার শিক্ষা
সক্ষম ব্যাক্তির ঋণ আদায়ে গড়িমসি করা হারাম, ঋণ পরিশোধের দায়িত্ব অন্যের উপর দেয়া বৈধ এবং তা গ্রহণ করা মুস্তাহাব
ঋণ পরিশোধে গড়িমসি না করার হাদিস
সহীহ মুসলিম : ৩৮৯৫
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৮৯৫
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، قَالاَ جَمِيعًا حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ بِمِثْلِهِ .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন।
ই. ফা. ৩৮৫৮, ই. সে. ৩৮৫৭
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৮৯৫-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আবু হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (صلى الله عليه وسلم) থেকে আগের হাদিসের অনুরূপ কথা এসেছে। অর্থাৎ একই মূল শিক্ষা আবারও বলা হয়েছে—যে ব্যক্তি সক্ষম, তার জন্য ঋণ পরিশোধে অযথা দেরি করা ঠিক নয়। এখানে অভাবী মানুষের কথা নয়; বরং যার সামর্থ্য আছে, অথচ সে পাওনাদারকে অপেক্ষায় রাখে, তার আচরণকে অন্যায় বলা হয়েছে। তাই হাদিসটি ঋণ-লেনদেনের ভারসাম্য শেখায়। অভাবী হলে ছাড় পাওয়া যেতে পারে, কিন্তু সচ্ছল হলে দায়িত্ব পালন করতে হবে। এটি ব্যবসা, ধার, বাকি বিক্রি এবং ব্যক্তিগত ঋণ—সব ধরনের লেনদেনে ন্যায্যতার শিক্ষা দেয়। এই অনুরূপ বর্ণনা দেখায়, পাওনাদারের অধিকারকে অবহেলা করা যায় না।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সক্ষম ব্যক্তি ঋণ শোধে গড়িমসি করলে তা অন্যায় আচরণ।
- পাওনাদারের অধিকার সময়মতো দেওয়া উচিত।
- অভাবী ও সক্ষম ঋণগ্রস্তের আচরণ এক নয়—হাদিসে ভারসাম্য আছে।
- লেনদেনে দায়িত্ব পালন করা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।
