২৩/১০. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৯১৬ - শিকার ও পশু পাহারা ছাড়া কুকুর
কুকুর হত্যার আদেশ ও তা রহিত হওয়ার বর্ণনা এবং শিকার করা অথবা ক্ষেত পাহারা বা জীবজন্তু পাহারা বা এ জাতীয় কোন কাজের উদ্দেশ্য ব্যতীত কুকুর পালন করা হারাম হওয়ার বর্ণনা
শিকারি বা পশু পাহারা ছাড়া কুকুর পালনের বিধান
সহীহ মুসলিম : ৩৯১৬
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৯১৬
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَابْنُ، نُمَيْرٍ قَالُوا حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ " مَنِ اقْتَنَى كَلْبًا إِلاَّ كَلْبَ صَيْدٍ أَوْ مَاشِيَةٍ نَقَصَ مِنْ أَجْرِهِ كُلَّ يَوْمٍ قِيرَاطَانِ ".
সালিম (রহঃ) তাঁর পিতার হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি শিকারী কুকুর কিংবা গৃহপালিত পশুর পাহারার কুকুর ব্যতীত অন্য কুকুর পালন করবে, প্রতিদিন তার সওয়াব থেকে দু’কীরাত করে কমতে থাকবে।
ই. ফা. ৩৮৭৯, ই. সে. ৩৮৭৮
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৯১৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি শিকারি কুকুর কিংবা গৃহপালিত পশুর পাহারার কুকুর ব্যতীত অন্য কুকুর পালন করবে, প্রতিদিন তার সওয়াব থেকে দুই কীরাত করে কমতে থাকবে। এখানে কুকুর পালনের বিষয়ে খুব পরিষ্কার সতর্কতা এসেছে। হাদিসে দুই ধরনের প্রয়োজনকে ব্যতিক্রম করা হয়েছে: শিকার এবং পশু পাহারা। এর বাইরে কুকুর পালন করলে আমল বা সওয়াব কমার কথা বলা হয়েছে। তাই কুকুর পালন নিয়ে আলোচনা করলে এই হাদিস অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। তবে হাদিসের ভাষা যতটুকু বলেছে, ব্যাখ্যাও ততটুকুর মধ্যে রাখা উচিত। এখানে অপ্রয়োজনীয় কুকুর পালন, দুই কীরাত, শিকারি কুকুর এবং গৃহপালিত পশু পাহারার কুকুর—এসব মূল শব্দ খুব গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- শিকারি কুকুরের প্রয়োজনকে ব্যতিক্রম করা হয়েছে।
- গৃহপালিত পশু পাহারার কুকুরও ব্যতিক্রম হিসেবে এসেছে।
- অপ্রয়োজনীয় কুকুর পালনে সওয়াব কমার সতর্কতা আছে।
- হাদিসের শব্দ অনুযায়ী বিষয়টি বোঝা জরুরি।
