২৪/২. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪০৩৮ - সন্তানদের মীরাসের আয়াত নাযিল
কালালার [২০] উত্তরাধিকার সংক্রান্ত
সন্তানদের মীরাস: জাবির (রাঃ)-এর ঘটনার শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ৪০৩৮
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৪০৩৮
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمِ بْنِ مَيْمُونٍ، حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي ابْنُ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ عَادَنِي النَّبِيُّ ﷺ وَأَبُو بَكْرٍ فِي بَنِي سَلَمَةَ يَمْشِيَانِ فَوَجَدَنِي لاَ أَعْقِلُ فَدَعَا بِمَاءٍ فَتَوَضَّأَ ثُمَّ رَشَّ عَلَىَّ مِنْهُ فَأَفَقْتُ فَقُلْتُ كَيْفَ أَصْنَعُ فِي مَالِي يَا رَسُولَ اللَّهِ فَنَزَلَتْ ﴾يُوصِيكُمُ اللَّهُ فِي أَوْلاَدِكُمْ لِلذَّكَرِ مِثْلُ حَظِّ الأُنْثَيَيْنِ﴿
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) ও আবু বকর (রাঃ) পায়ে হেঁটে বানু সালামায় আমাকে দেখতে আসেন। তাঁরা আমাকে অজ্ঞান অবস্থায় পান। রাসুল্লাহ (ﷺ) পানি আনতে বলেন। এরপর তিনি ওজু করেন, তারপর তা থেকে কিছু পানি আমার উপর ছিটিয়ে দেন। আমি জ্ঞান ফিরে পেলাম, আর বললাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমি আমার সম্পদ কিভাবে বণ্টন করবো?তখন এ আয়াত নাযিল হয় – “ আল্লাহ তোমাদের সন্তানাদি সম্বন্ধে নির্দেশ দিচ্ছেন, এক পুত্রের অংশ দু’কন্যার অংশের সমান...............“- (সূরা আন নিসা ৪:১১)।
ই.ফা ৪০০১, ই.সে ৪০০০
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪০৩৮-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় জাবির (রাঃ) বলেন, নবী صلى الله عليه وسلم ও আবু বকর (রাঃ) বানু সালামায় তাঁকে দেখতে আসেন। তাঁরা তাঁকে অজ্ঞান অবস্থায় পান। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم পানি আনতে বলেন, ওযু করেন এবং সেই পানি থেকে কিছু তাঁর উপর ছিটিয়ে দেন। জাবির (রাঃ) জ্ঞান ফিরে পেয়ে জিজ্ঞেস করেন, তিনি তাঁর সম্পদ কীভাবে বণ্টন করবেন। তখন আয়াত নাযিল হয়: “আল্লাহ তোমাদের সন্তানাদি সম্বন্ধে নির্দেশ দিচ্ছেন, এক পুত্রের অংশ দুই কন্যার অংশের সমান...”। এই হাদিসে মীরাসের আয়াত, রোগী দেখার আদব এবং সম্পদ বণ্টনে আল্লাহর নির্দেশের গুরুত্ব একসঙ্গে এসেছে। মূল কীওয়ার্ড: “সন্তানদের মীরাস”, “মীরাস বণ্টন” এবং “জাবির রাঃ হাদিস”।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রোগীর খোঁজ নেওয়া ভালো আচরণের অংশ।
- সম্পদ বণ্টনে আল্লাহর নির্দেশকে ভিত্তি করতে হয়।
- সন্তানদের মীরাসের অংশ কুরআনের আয়াতে এসেছে।
- গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নবী صلى الله عليه وسلم ওহির নির্দেশের অপেক্ষা করেছেন।
