২৬/১. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪১০৫ - এক-তৃতীয়াংশ বর্ণনার শব্দভেদ
এক তৃতীয়াংশের ওয়াসিয়্যাত
ওসিয়তে এক-তৃতীয়াংশ: শব্দভেদসহ বর্ণনা
সহীহ মুসলিম : ৪১০৫
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৪১০৫
وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سِمَاكٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ . وَلَمْ يَذْكُرْ فَكَانَ بَعْدُ الثُّلُثُ جَائِزًا .
সিমাক (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
সিমাক (রহঃ)- এর সূত্রে উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে তিনি “এরপর থেকে এক তৃতীয়াংশ বৈধ হয়ে যায়’ কথাটি বর্ণনা করেননি।
ই. ফা. ৪০৬৭, ই. সে. ৪০৬৬
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪১০৫-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় সিমাক (রহঃ)-এর সূত্রে আগের সানাদের অনুরূপ হাদিস এসেছে। তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে—এখানে “এরপর থেকে এক-তৃতীয়াংশ বৈধ হয়ে যায়” কথাটি বর্ণনা করা হয়নি। অর্থাৎ মূল ঘটনা একই ধরনের হলেও বর্ণনার শব্দে একটি পার্থক্য রয়েছে। হাদিস অধ্যয়নে এটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ কোন রাবী কোন বাক্য উল্লেখ করেছেন, তা জানানো নির্ভুলতার অংশ। বিষয়টি ওসিয়তের সীমা সম্পর্কিত: সা’দ (রাঃ) সম্পদ বণ্টনের ব্যাপারে নবী صلى الله عليه وسلم-এর অনুমতি চান, আর এক-তৃতীয়াংশের প্রসঙ্গ আসে। তবে এই নির্দিষ্ট বর্ণনায় বৈধ হওয়ার অতিরিক্ত বাক্য নেই, তাই ব্যাখ্যায় সেটি এই পাঠের সরাসরি কথা হিসেবে বলা উচিত নয়। মূল শিক্ষা হলো ওসিয়ত, সীমা এবং বর্ণনার ভাষা সতর্কভাবে পড়া।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অনুরূপ বর্ণনায়ও কিছু বাক্য বাদ থাকতে পারে।
- হাদিসের শব্দভেদ জানানো নির্ভুলতার অংশ।
- ওসিয়তের সীমা বিষয়টি একই ধারায় আলোচিত হয়েছে।
- ব্যাখ্যায় যে বাক্য এই পাঠে নেই, তা সরাসরি দাবি করা উচিত নয়।
