২৯/২. অধ্যায়ঃ

সহীহ মুসলিম হাদিস ৪২৫২ - চোখের বদলার কারণ

শত্রু সৈন্য এবং মুরতাদদের বিচার

চোখের কিসাস: অপরাধের বদলার কারণ

সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৪২৫২

وَحَدَّثَنِي الْفَضْلُ بْنُ سَهْلٍ الأَعْرَجُ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ إِنَّمَا سَمَلَ النَّبِيُّ ﷺ أَعْيُنَ أُولَئِكَ لأَنَّهُمْ سَمَلُوا أَعْيُنَ الرِّعَاءِ .

আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) ঐ লোকদের চোখে গরম লোহা ঢুকিয়ে দেন। কেননা তারা রাখালদের চক্ষুসমূহে গরম লোহা ঢুকিয়ে দিয়েছিল।

ই.ফা. ৪২১৩, ই.সে. ৪২১৩

সহীহ মুসলিম হাদিস ৪২৫২-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু আগের ঘটনার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ পরিষ্কার করে। আনাস (রাঃ) বলেন, নবী (صلى الله عليه وسلم) ঐ লোকদের চোখে গরম লোহা ঢুকিয়ে দেন, কারণ তারা রাখালদের চোখে গরম লোহা ঢুকিয়েছিল। অর্থাৎ এখানে শাস্তির ধরনকে ঘটনার অপরাধের সঙ্গে যুক্ত করে বলা হয়েছে। তাই হাদিসটির মূল টপিক হলো কিসাস বা অপরাধের বদলা। এটি কোনো আলাদা ঘটনা নয়; বরং আগের উকল-উরাইনাহ ঘটনার একটি ব্যাখ্যামূলক অংশ। এই বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, শাস্তির কথা পড়লে অপরাধের কারণও জানা দরকার। এতে বিচার, কিসাস, রাখাল হত্যা এবং চোখে আঘাতের বিষয় একসাথে আসে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • শাস্তির কারণ হিসেবে অপরাধের ধরন উল্লেখ করা হয়েছে।
  • কিসাসের আলোচনায় ঘটনার পূর্ণ বিবরণ জানা জরুরি।
  • রাখালদের ওপর করা আঘাত বর্ণনায় বিশেষভাবে এসেছে।
  • সংক্ষিপ্ত হাদিসও বড় ঘটনার গুরুত্বপূর্ণ দিক বুঝাতে পারে।

এই সম্পর্কিত হাদিসসমূহ

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন