৩০/৫. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪৩১৪ - জাবির রাঃ সূত্রে বর্ণনার মিল
যে ব্যক্তি নিজে ব্যভিচার স্বীকার করে
জাবির রাঃ থেকে শ্রুত বর্ণনার মিল
সহীহ মুসলিম : ৪৩১৪
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৪৩১৪
وَحَدَّثَنِيهِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الدَّارِمِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، بِهَذَا الإِسْنَادِ أَيْضًا وَفِي حَدِيثِهِمَا جَمِيعًا قَالَ ابْنُ شِهَابٍ أَخْبَرَنِي مَنْ سَمِعَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ كَمَا ذَكَرَ عُقَيْلٌ
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস শুনিয়েছেন। আর উভয়ের বর্ণিত হাদীসে ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন যে, আমার নিকট এমন এক ব্যক্তি হাদীস বর্ণনা করেছেন, যিনি জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে হাদীস শ্রবণ করেছেন, যেমন উল্লেখ করেছেন ‘উকায়ল (রহঃ)।
ই. ফা ৪২৭৩, ই. সে. ৪২৭৪
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪৩১৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আগের অনুরূপ বর্ণনার কথা এসেছে। এখানে বিশেষভাবে বলা হয়েছে, ইবনু শিহাব রহঃ বলেন যে, তাঁর কাছে এমন এক ব্যক্তি হাদিস বর্ণনা করেছেন, যিনি জাবির ইবনু আবদুল্লাহ রাঃ থেকে শুনেছেন—যেমন উকায়ল রহঃ উল্লেখ করেছেন। এই পাঠে নতুন কোনো শাস্তি, ঘটনা বা আলাদা সিদ্ধান্ত নেই। বরং বর্ণনার উৎস ও মিলের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। হাদিস অধ্যয়নে এটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ একই ঘটনার বিবরণ কীভাবে এক সূত্র থেকে আরেক সূত্রে এসেছে, তা বোঝা যায়। যিনার স্বীকারোক্তি ও রজমের মতো গুরুতর বিষয়ের ক্ষেত্রে বর্ণনার সূত্র জানা বিশেষভাবে দরকার। তবে এই হাদিস থেকে অতিরিক্ত কোনো হুকুম বের করা ঠিক হবে না, কারণ পাঠ নিজেই শুধু বর্ণনার মিল জানাচ্ছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বর্ণনার উৎস জানা হাদিস বোঝার অংশ।
- জাবির রাঃ থেকে শ্রুত তথ্যের মিল এখানে উল্লেখ হয়েছে।
- অনুরূপ বর্ণনা মূল ঘটনার ধারাবাহিকতা দেখায়।
- সংক্ষিপ্ত সূত্র থেকে নতুন বিধান তৈরি করা উচিত নয়।
